মারাত্মক বিপদ লুকিয়ে আছে হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপ চ্যাটে

মারাত্মক বিপদ লুকিয়ে আছে হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপ চ্যাটে

 

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন কোটি কোটি ম্যাসেজ, ছবি ও ভিডিও আদানপ্রদান হয়। প্রায় সকলেরই হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধুদের, অফিস কলিগদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রুপ থাকে। সেই গ্রুপে দিনরাত ম্যাসেজ দেওয়া-নেওয়া হয়। কিন্তু এই প্রবণতার মধ্যেই মারাত্মক বিপদ লুকিয়ে আছে। 

এই গ্রুপ চ্যাটই আপনার স্মার্টফোনের অন্দরমহলের দরজা করে খুলে দিতে পারে হ্যাকারদের কাছে। এমন আশঙ্কার কথাই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছে Wired-এর একটি রিপোর্ট।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, জার্মান ক্রিপ্টোগ্রাফারসরা তাদের নয়া গবেষণায় জানতে পেরেছেন, হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটের আসল নিয়ন্ত্রণ মোটেও গ্রুপের অ্যাডমিনদের হাতে থাকে না। থাকে হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভার যে বা যিনি চালাচ্ছেন, তার বা তাদের হাতে। তিনি চাইলেই, একটি প্রাইভেট চ্যাটে যত খুশি সদস্যকে ডেকে আনতে পারেন। তার জন্য গ্রুপটির অ্যাডমিনের অনুমতিরও দরকার পড়বে না। 

এক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ প্রযুক্তি কোনও কাজেই লাগবে না বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। আপনার ব্যক্তিগত চ্যাট পড়তে পারবেন যে কেউ। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ প্রযুক্তি যদি গ্রুপ চ্যাট ও টু পার্টি চ্যাট দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে কাজ করত, তাহলে অ্যাডমিনের অনুমতি ছাড়া গ্রুপে কাউকে যুক্ত করা যেত না। কিন্তু এক্ষত্রে যায়। তাহলে কোথায় কাজে এল ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ প্রযুক্তি, প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা।

রিপোর্টটি আরও বলছে, আদতে এটি একটি প্রযুক্তিগত কমতি। যাকে বলে ‘বাগ’। এক্ষেত্রে যিনি সার্ভারটি নিয়ন্ত্রণ করছেন, তিনি গ্রপ অ্যাডমিনের অনুমতি ছাড়াই কাউকে ইনভিটেশন লিঙ্ক পাঠাতে পারেন। কোনও অথেনটিকেশনের প্রয়োজন পড়ে না।

Make Website

 

Quick Contact