১৪ দিন ধরে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে পড়ে আছে রাজিয়ার লাশ

১৪ দিন ধরে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে পড়ে আছে রাজিয়ার লাশ

 

মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশি মহিলার আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তার মরদেহ আমপাং হাসপাতাল মর্গে গত ১৪ দিন ধরে পড়ে রয়েছে।

রাজিয়ার পাসপোর্টের ঠিকানা ও পাসপোর্টে উল্লেখিত মোবাইলে বার বার যোগাযোগ করেও কোন অবিভাবককে না পাওয়াতেই তার লাশ দেশে পাঠাতে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজিয়া আক্তার (২৩) নামে সেই নারী কুয়ালালামপুরের আমপাং এলাকার একটি এ্যাপার্টমেন্টে এ থাকতেন। গত ৩ অক্টোবর আমপাং এর ওই এ্যাপার্টমেন্টর ৮ তলা থেকে ঝাপ দেন তিনি এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান রাজিয়া।  

 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাজিয়া আক্তার ২০৬ এসএস শাহ রোড বন্দর নারায়নগন্জের মো: সানাউল্লাহ ও সুরিয়া বেগমের মেয়ে বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে। তবে পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা অনুযায়ি তার অবিভাবকদের পাওয়া যায়নি। রাজিয়া আক্তারের পাসপোর্ট নং : বিএল ০৮৮৯৫১০।  

 

মালয়েশিয়া বাংলাদেশ দূতাবাসের পার্সোনাল অফিসার আফরোজা আক্তার জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পরও মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যাচ্ছেনা। ১৪ দিন ধরে হাসপাতাল মর্গে পড়ে রয়েছে লাশটি।

পাসপোর্টের ঠিকানা ও পাসপোর্টে উল্লেখিত ০১৯৯১৩৯০৫৪৮এই মোবাইলে বার বার যোগাযোগ করেও রাজিয়া আক্তারের কোন অবিভাবককে না পাওয়াতেই তার লাশ দেশে পাঠাতে বিলম্ব হচ্ছে।

মদিনায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র চালু

মদিনায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র চালু

 

সৌদি আরবের মদিনায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট এর উদ্যোগে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের অধীনে তথ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

এ প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের প্রতিটি থানাসহ প্রবাসে অবস্থানরত সকল নাগরিক তথ্য প্রযুক্তির আওতাধীন আসবে।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট এর কনসাল জেনারেল বোরহান উদ্দিনের উপস্থিতিতে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বাংলদেশ থেকে আগত একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের ইনোভেশন টিমের প্রধান ও যুগ্ম সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত একই প্রোগ্রামের ইনোভেশন স্পেশালিস্ট উপ সচিব সাহিদা সুলতানা।

জেদ্দা কমিউনিটি নেতা সারতাজুল আলম দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মো. মুস্তাফিজুর রহমান সেবা কেন্দ্রের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। কনসাল জেনারেল বোরহান উদ্দিন কমিউনিটির উদ্দেশ্যে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির পাসপোর্ট নবায়নের তথ্য আপডেটে এর মাধ্যমে ই সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেদ্দা ও মদিনার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদের মুখে মইন ইউ আহমেদের ফোবানা সম্মেলন ত্যাগ!


ফ্লোরিডার মায়ামীতে অনুষ্ঠিত ৩১তম ফোবানা সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হয়ে এসেছিল সাবেক সেনা প্রধান এবং বাংলাদেশে "ওয়ান-এলেভেন" রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের রূপকার মইন ইউ আহমেদ। গত ৬ই অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় মায়ামির হায়াত রিজেন্সি হোটেলে ফোবানা সম্মেলন উদ্বোধনের আগে  "ব্লাক টাই ডিনার" নামের  নৈশ্যভোজে  ফোবানা সম্মেলনের প্রধান অতিথি বর্তমান সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. জিয়াউদ্দিন, তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান,  
এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা নিজাম চৌধুরী  সঙ্গে একই টেবিলে বসে এই নৈশ ভোজে অংশ নেন সেই সময়ের ক্ষমতাধর এই সেনা প্রধান।
। এই সময় ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আওয়ামীলীগ ও বিএনপির নেতাকর্মিরাও উক্ত নৈশ্যভোজের অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 নৈশ্যভোজ  অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে  ফ্লোরিডার  "আওয়ামীলীগ-বিএনপি"এর সমন্বয়ে গঠিত ফোবানা সম্মেলন আয়োজক কমিটির বিএনপি সমর্থকরা তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় জনাব মইন ইউ আহমেদের উপস্থিতির প্রতিবাদ জানান।
তারা বলেন সম্মেলন কমিটির   আওয়ামীলীগ সমর্থিত  নেতারাই  সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদকে ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ।
উল্লেখ্য শুক্রবার সন্ধ্যায় কালো টাই (ব্লাক টাই) ডিনার নামের এ নৈশ্যভোজে প্রধান অতিথি পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের  ডান পাশের একটি চেয়ারের পরই বসেন সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ।
মন্ত্রীর সামনে বিপরিত সারিতে সোজাসুজি বসেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. জিয়াউদ্দিন।  প্রধান অতিথি  অনেক্ষণ ধরে কথা বলেন মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে।
 
সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর গত পাঁচ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত মইন আহমেদ অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় ছাড়াও
অনেকের সঙ্গে ছবিও তোলেন।  তবে  নৈশ্যভোজের পর  ফোবানা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূলমঞ্চে তাঁকে আর দেখা যায়নি।  বিষয়টি নিয়ে সম্মেলনের স্থলে ছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই নিজস্ব রাজনৈতিক বিবেচনার বিষয়টি ফোবানা সম্মেলনের মাঝে টেনে আনাকে সৌজন্যপূর্ণ মনে করেনটি। আবার অনেকেই  মইন ইউ আহমেদকে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রন জানানোর পক্ষেও মত দিতে দেখা গেছে।
উদ্বোধণী অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বেও দর্শক সারি থেকে বিএনপির গোটা কয়েক নেতাকে কটাক্ষ্য করতে দেখা গেছে। তাদের এই অতি রাজনৈতিক প্রবণতা সম্মেলনে উপস্থিত অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও দৃশ্যত সেনাবাহিনীর প্রধান মইন ছিলেন সরকার পরিচালনায়। ওই সময় বন্দি করা হয়ছিল দুই প্রধান রাজনৈতিক নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে। রাজনীতিবিদদের হয়রানির জন্য ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়ে পড়েন রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা।
নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের কিছু দিন পর অবসরে  যান জেনারেল মইন আহমেদ। সেই থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
একই সময়ের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১ বাংলাদেশিকে বের করে দেওয়া হলো


যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত বাবলু শরিফের পরিবারের সংবাদ সম্মেলন।  

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বলি হয়েছেন ১১ বাংলাদেশি। ১১ অক্টোবর বুধবার ভোরে অ্যারিজোনার দুর্গম ডিপোর্টেশন কেন্দ্র থেকে ১১ জনকে আটক করে বাংলাদেশগামী বিশেষ ফ্লাইটে জোর করে তুলে দেওয়া হয়েছে যাদের মধ্যে ১০ জনই নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি। বাংলাদেশে যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন- সেলিম আহমেদ, মোজাম্মেল হক, করিম চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, বাবলু শরিফ, মোহাম্মদ বাদল রনি, মোহাম্মদ ফরিদুল মওলা, মনিরুল ইসলাম, নাসরিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আম্বিয়া ও খায়রুল আম্বিয়া। তাদের মধ্যে অনেকেই দুই-তিন দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছেন।

এ নিয়ে স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেছে বিতাড়নের শিকার বাবলু শরিফের পরিবার। তারা এভাবে বিতাড়ন না করার জন্য ট্রাম্পের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, ভুক্তভোগী অভিবাসী ও তাদের পরিবার আইনের সাহায্য নিতে পারছে না। তার আগেই বিতাড়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে মানবাধিকার সংগঠক, সাউথ এশিয়ান এডুকেশন স্কলারশিপ অ্যান্ড ট্রেনিং অর্গানাইজেশনের নির্বাহী মাজেদা উদ্দিন জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির শিকার হয়ে দুই নারীসহ ২৭ বাংলাদেশি ডিপোর্টেশনের পথে আছেন। আনডকুমেন্টেড হিসেবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আটক করে তাদের অ্যারিজোনার ফ্লোরেন্স কারেকশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের হাতে ইংরেজিতে ‘লো আর হাই’ লেখা বিভিন্ন রঙের ব্যান্ড লাগানো আছে। যেকোনো সময় তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রেই এখন মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। গত দেড় মাস আগে চারজন ও গত তিন-চার মাসে মোট ১৪ বাংলাদেশিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ডিপোর্ট করা হয়েছে।

মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগে ফিনল্যান্ডে বাংলাদেশির দণ্ড

মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগে ফিনল্যান্ডে বাংলাদেশির দণ্ড

 

মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন ফিনল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি কামরুল হাসান জনি। গত ১২ অক্টোবর ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি জেলা কোর্ট তার বিরুদ্ধে ওই রায় দেয়।

সরকারি তথ্যানুযায়ী, ফিনল্যান্ডের বেসরকারি খাতে একজন কর্মীর গড় মাসিক আয় সাড়ে তিন হাজার ইউরো। তবে ফিনিশ আয়কর বিভাগের হিসাবে প্রবাসী জনির প্রতিদিন আয় মাত্র ৬ ইউরো।

মিথ্যা সাক্ষ্য সাজানোর দায়ে প্রবাসী কামরুল হাসান জনিকে ২০ দিনের আর্থিক উপার্জন জরিমানা করা হয়েছে। প্রতিদিন ৬ ইউরো ধরে মোট ১২০ ইউরো তাকে পরিশোধ করতে হবে।

রায়ে একইসঙ্গে আদালতে খরচ ও বাদীর আইনজীবীর যাবতীয় ফি পরিশোধ করতে বলা হয়েছে দোষী সাব্যস্ত জনিকে।

তবে আদালতে তার দাখিল করা কাগজপত্র অনুযায়ী আর্থিক দীনতা বিবেচনায় নিয়ে আইনজীবীর ওই অর্থ প্রাথমিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।

জনির ওই মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। ইতালী প্রবাসী এক নারীকে বিয়ে করে নিয়ে ঘর-সংসার করেন। কিন্তু ফিনিশ আইন অনুযায়ী স্ত্রীর স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করায় কামরুল হাসান জনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই নারী।

পরে ২০১৫ সালের ২৩ এপ্রিল ধর্ষণের ওই মামলায় জনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই মামলা হওয়ার পর এক ব্যক্তিকে (ফিনিশ আইনে বিধিনিষেধ থাকায় নাম প্রকাশ করা গেল না) সাক্ষী সাজিয়ে ওই নারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য প্ররোচনা দেন জনি। পরে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের সদস্যদের জেরার মুখে জনির 'সাজানো সাক্ষী' যাবতীয় সঠিক তথ্য দেন।

ওই সাক্ষ্য দেওয়ার জের ধরেই গত ৬ অক্টোবর শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে হেলসিংকির বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকায় তাণ্ডব চালান কামরুল হাসান জনি ও তার অনুসারীরা। সেদিন হামলায় চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করার পর জনিসহ পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছিলেন। দুই দিন পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও হামলার তদন্ত চলছে।

মসজিদ এলাকায় তাণ্ডবের ঘটনায় হেলসিংকি পুলিশর গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, একইসঙ্গে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথাও শুনেছেন। ঘটনার সময় উপস্থিত কয়েকজনের মুঠোফোনে ভিডিও চিত্র ও আশেপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরাগুলিতে থাকা এই পুরো ঘটনার রেকর্ডকৃত ভিডিও পুলিশ সংগ্রহ করেছে।

Make Website

 

Quick Contact