স্বপ্ন কিনতে বেচে দেয়া শ্রেষ্ঠ সময়

মায়ের আদর, প্রিয়তমার আকুতি, সন্তানের টান উপেক্ষা করে প্রবাসে একজন বাংলাদেশি শ্রমিক কাটিয়ে দেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়৷

 যে স্বপ্ন কিনতে এত বড় বিনিময়মূল্য পরিশোধ করতে হয়, সেটাই বা তারা কতটা কিনতে পারেন – এ সব তুলে এনেছেন আলোকচিত্রী, লেখক শহিদুল আলম৷

কুমিল্লার আবুল হোসেনরা ৫ ভাই-বোন৷ এই পাঁচজনকে নিয়ে ছোটবেলায় অকূলপাথারে পড়েন মা৷ গার্মেন্টসে কাজ করার মতো শারিরীক অবস্থাও তাঁর ছিল না৷ তাই তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেন৷

এই আয় থেকে এমনিতেই নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, সেখানে শিক্ষা ছিল আরো অধরা৷ এ কারণে আবুল খুব একটা পড়াশোনা করতে পারেননি৷ কষ্টের জীবন শেষ করতে এক সময় দালাল ধরে আবুল যান মালদ্বীপ আর বাবুল যান মালয়েশিয়া৷ মালদ্বীপে সুবিধা করতে না পেরে এক সময় আবুলকে দেশে চলে আসতে হয়৷

এরপর একই দালাল তাঁকে মালয়েশিয়া যেতে বলে৷ সেই অনুসারে মালয়েশিয়া যানও তিনি৷ দুই বছর পর ফিরে এসে বিয়ে করেন আবুল৷ তবে বিয়ের পরও তাঁকে আবার বিদেশের পথে পা বাড়াতে হয়৷

এবার যাওয়াটা অবশ্য কঠিনই ছিল৷ কারণ, বাড়িতে অপেক্ষমান মানুষের তালিকায় আরো একজন যোগ হয়েছে৷ সেই আবুলের স্ত্রী আমেনা আক্তারও স্বামীকে বিদেশে যেতে দিতে চাননি৷ তার কথা ছিল, জীবন চলুক না হয় একটু টানাটানিতে৷ তবু এক সাথে থাকাই ভালো৷

সন্তানকে পাশে রাখতে চান আবুলেরও মা-ও৷ কিন্তু তিনি বাস্তবতা জানেন৷ জানেন জীবনের নির্মমতাও৷ তাই শেষ পর্যন্ত বিদেশ যাওয়ার পক্ষেই মত দিলেন তিনি৷

আবুলের ভাই বাবুল মিয়ার একটি সন্তান জন্মেছে৷ ভাবী হালিমা আক্তারের কাছেই বড় হচ্ছে সে৷ সন্তানকে নিরাপদ ভবিষ্যত দিতেই এই বিদেশ যাত্রা, সেই সন্তানের মুখদর্শনের সুযোগ এখনো হয়নি তাঁর৷

শহিদুল আলমের লেখনি আর ছবিতে উঠে এসেছে শাহনাজ পারভীনের জীবনও৷ এক বছর বয়সি ছেলেকে স্বপ্নভরা জীবন দিতে তিনি মালয়েশিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন৷ সন্তান বড় হয়েছে বোনের কাছে৷ ১০ বছর পর এসে সেই সন্তান পড়ছে ক্যাডেট কলেজে৷

এছাড়াও বাড়িতে জমি কিনেছেন তিনি৷ ফিরে এলে নিজের মতো করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন বলেও আশা করেন৷ তবে যে সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে তিনি প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন, সেই সন্তান এখন শাহনাজকে ‘খালা’ ডাকে৷ আর শাহনাজের বোনকে ডাকে ‘মা’৷জীবনে সব কষ্ট অনায়াসে সামাল দিতে পারলেও এই কষ্ট কোনোভাবেই সামাল দিতে পারেন না শাহনাজ৷

শাহনাজ আর আবুলদের জীবনের গল্প নিয়ে ‘দ্য বেস্ট ইয়ার্স অফ মাই লাইফ’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী হচ্ছে জার্মানির গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামের অনুষ্ঠানস্থলে৷ এর আগেও বাংলাদেশে দু’টো প্রদর্শনী হয়েছে৷

শহিদুল আলম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমি অভিবাসীদের জীবন নিয়ে অনেক বছর যাবত কাজ করছি৷ ফ্রান্সে একটা জায়গায় বাঙালিরা থাকে, একটা পর্যায়ে সেখানে এক দোকান মালিক আমাকে বাসায় নিয়ে যান৷ গিয়ে দেখি, এক বিছানায় ৮ ঘণ্টা করে একজন থাকে৷ ডাবল বেডে দিনে ছয় জন থাকে৷ সেখানকার এক ভদ্রলোক ফুল বিক্রি করতেন৷’’

‘‘তিনি আমাকে বললেন, এখানে ভালোই থাকি যখন বৃষ্টি পড়ে না, পুলিশ তাড়া দেয় না৷’’

ফুল বিক্রি করে দেশে টাকা পাঠানো এই ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে শহিদুল প্রশ্ন রাখেন, ‘‘হয়তো বোনের বিয়ে হবে, বাবা জমি কিনবে বা ভাইয়ের একটা দোকান থাকবে৷ কিন্তু আমার যৌবনের শ্রেষ্ঠ বছরগুলো যে দিলাম, সেটা আমাকে কে ফেরত দেবে?’’

১৯৯৬ সালে দেখা হওয়া সেই ব্যক্তির কথা মনে রেখে এই প্রদর্শনীর নাম দেয়া হয় ‘দ্য বেস্ট ইয়ার্স অফ মাই লাইফ’৷ তবে প্রদর্শনী ছবিগুলো ২০১৬ সালের৷ শহিদুল আলম একজন শ্রমিকের বাংলাদেশের বাড়িতে যান৷ সেখান থেকে তাঁর সঙ্গে পাড়ি জমান মালয়েশিয়া পর্যন্ত৷ সেখান থেকে তাঁদের জীবনের নানা চিত্র তুলে এনেছেন৷

পৃথিবীতে মারাত্মক অসমতার কারণে মানুষ শেষ পর্যন্ত এত কষ্ট করতে রাজি থাকে বলে মনে করেন শহিদুল আলম৷
 
এক প্রশ্নের জবাবে শহিদুল জানান, ‘‘এ কারণেই বিদেশে যেতে মানুষ সর্বোচ্চ ঝুঁকিও নেয়৷ এসব সমস্যার সমাধানে একটি সমতার পৃথিবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷’’

অভিবাসীরা অনেক সময় যে অসততার আশ্রয় নেন তা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘‘দিন শেষে বলতে হবে, এগুলো হচ্ছে, কারণ, পৃথিবীতে অসমতা রয়েছে৷ কিছু দেশ আমাদের দেশকে শোষণ করে বড়লোক হয়েছে৷’’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশিদের দুর্দশার অবসান করতে এটাকে কেন্দ্র করে যে সব ব্যক্তি লাভবান হয়, সেই চক্র ভাঙতে হবে৷

ওমানে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার

ওমানে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার

 

ওমানে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে গোলাম সারোয়ারকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিসিএস ১০ম ব্যাচের (পররাষ্ট্র বিষয়ক) কর্মকর্তা পেশাদার কূটনীতিক গোলাম সারোয়ার ১৯৯১ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি সুইডেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সমৃদ্ধ পেশাদার কূটনীতিক হিসেবে তিনি জেদ্দায় কনস্যুল জেনারেল এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
 এছাড়াও তিনি কাঠমান্ডু, কুয়ালালামপুর এবং ইয়াংগুনে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গোলাম সারোয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জার্মানীতে তিনি কূটনীতি বিষয়ে এডভান্স কোর্স এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে নিয়ার ইস্ট সাউথ এশিয়া সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (এনইএসএ) থেকে ওভারসিজ এক্সিকিউটিভ কোর্স সম্পন্ন করেন।

লন্ডনে হামলার ঘটনায় নিহত ব্যক্তি প্রবাসী বাংলাদেশি

লন্ডনে হামলার ঘটনায় নিহত ব্যক্তি প্রবাসী বাংলাদেশি

 

যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনে মসজিদের কাছে পথচারীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেয়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ।

উত্তর লন্ডনের সেভেন সিস্টারস রোডের ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদের কাছে রবিবার এই হামলা হয়।

এতে একজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়। নিহত ওই ব্যক্তি নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।

সুলতান আহমেদ নামের দাতব্য কাজে যুক্ত এক কর্মী জানিয়েছেন, তার চাচাও ঘটনাস্থলে ছিলেন। মসজিদ ছাড়ার পর তার চাচার চোখের সামনেই ভ্যানটি মুসল্লিদের ওপর উঠিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে প্রবীণ ওই বাংলাদেশি মারা যান।

সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে ফের সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা

সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে ফের সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা

 

দীর্ঘদিন অবৈধভাবে বসবাসের পর সৌদি বাদশার সাধারণ ক্ষমায় নিজ দেশে ফিরে গিয়ে বৈধ ভিসা নিয়ে পুনরায় সৌদি আরব ফিরতে শুরু করেছেন প্রবাসীরা। ইতিমধ্যে চার হাজারের বেশি বিদেশি বৈধ ভিসা নিয়ে সৌদি আরব প্রবেশ করেছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার দেশটির পাসপোর্ট অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম দৈনিক মদীনা এমন খবর প্রকাশ করেছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচাল মেজর জেনারেল সুলাইমান আল ইয়াহইয়া বলেন, সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করে সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন এমন ৪ হাজার লোক পুনঃরায় বৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছেন।  

পত্রিকাটি আরও জানায়, এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের এই সাধারণ ক্ষমায় সুযোগ নিয়েছেন ৫ লক্ষ ২৫ হাজার দিবেশি। এরমধ্যে ইতিমধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করেছে ১ লক্ষ ১০ হাজার। আর সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সৌদি আরব ত্যাগের অপেক্ষায় আছেন  ৪ লক্ষ ১৫ হাজার।

রিয়াদ ইমিগ্রেশনের পরিচালক মেজর জেনারেল সুলাইমান আল সুহাইবানী সৌদি জাওয়াযাত (পাসপোর্ট অধিদপ্তর) অবৈধদের এই সুযোগ গ্রহণ করার জন্য আহবান জানিয়ে বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।  

এদিকে ঈদের ছুটিতেও রিয়াদ জাওয়াযাত অফিস প্রতিদিন সকাল ৫টা থেকে বিকাল ৩টা এবং রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমার আওতায় প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করবে।

কুয়েতে বাংলাদেশ কমিউনিটির ইফতার মাহফিল

কুয়েতে বাংলাদেশ কমিউনিটির ইফতার মাহফিল

 

বাংলাদেশ কমিউনিটি কুয়েতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ জুন রবিবার কুয়েত সিটির মালিয়াস্থ সুইজ বেল প্লাজা হোটেলে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি কুয়েতে স্বনামধন্য কোম্পানি ডায়মন্ড ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী।  

বাংলাদেশ কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সংগঠক ফয়েজ কামালের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি লুৎফর রহমান মুকাই আলী,  স্থপতি মুছাদ্দেক আলী, প্রকৌশলী আহমেদ রইছ, প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম ফারুক, আওয়ামী লীগ নেতা আতাউল গণি মামুন, জালালাবাদ সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী জুবায়ের আহম্মেদ,  মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সভাপতি রবিউল আলম রবি, ঢাকা সমতিরি সভাপতি মনির হোসেন মন্টু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল বারেক, বিএনপির সাবেক সভাপতি (একাংশ) জালাল আহমেদ চুন্নু মোল্লা, বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের মোল্লা, আওয়ামী লীগ  (একাশং) সভাপতি আব্দুর রউফ মাওলা, আওয়ামী লীগ একাংশের সাবেক সভাপতি সেকান্দর আলী,  বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদুর রহমান মাসুম, এলডিপি ও চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আল হাজ্জ জাফর আহম্মেদ চৌধুরী এমকম, বিএনপির  সভাপতি (একাংশ) শরিফ হোসেন, সাহিত্য পরিষদ এর সভাপতি মুর্শেদ আলম বাদল, জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহমুদ আলী হাজী, স্বরলীপি শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি হযরত আলী মল্লীক, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এসোশিয়েশন এর সভাপতি জিন্না খান, প্রকৌশলী মোসায়েদ, আওয়ামী লীগ নেতা শাহনেয়াজ নজরুল,  কমিউনিটির অন্যতম নেতা হান্নান মুজমদার, কুমিল্লা প্রবাসী পরিষদের সাধারন সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন সেলিম, মদিনার পথে পঠক ফোরামের সভাপতি আলী আব্দুল ওয়াহীদ, মানিকগঞ্জ সমিতির সভাপতি একে আজাদ নুর, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কুয়েত কমান্ডর সভাপতি দিদারুল আলম, বাংলার বার্তার সার্কুলেশন ম্যানেজার শাহ করিম, শামিম আহম্মেদ, মুরাদ চৌধুরী, ব্লগার সাইরুল আমিন, সিলেট বিভাগিয় লেখক ফোরামের সাধারন সম্পাদক এস এম আব্দুল আহাদ, চাঁদপুর সমিতির সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের উল্লেখ্যযোগ্য প্রবাসী।

সভাপতির বক্তব্যে জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, কুয়েত প্রবাসীদের সুখে দুখে পাশে থাকবে সকল প্রবাসীদের নিয়ে। প্রধান উপদেষ্ঠা লুৎফর রহমান মুকাই আলী তার বক্তেব্যে বলেন, কুয়েত প্রবাসী বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা বদলে দিতে পারে অসহায় প্রবাসীদের জীবন চি। এসময় তিনি সকল সফল প্রবাসীদের আহবান করেন অসহাদের পাশে দাঁড়াতে।  

অন্যদিকে কমিউনিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জালাল আহমেদ চুন্নু মোল্লা বলেন, কুয়েত প্রবাসী যারা যে কোন সমস্যায় পরবে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করলে কমিউনিটি সাধ্যমত চেষ্টা করবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার। কমিউনিটির অন্যতম নেতা কুমিল্লা প্রবাসী পরিষদের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা আতাউল গনি মামুন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কুয়েতে বাংলাদেশ কমিউনিটি অত্যান্ত প্রয়োজন, প্রবাসীদের মাঝে একতা থাকলে অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলে তিনি দাবি করেন।  

কমিউনিটির নেতৃবৃন্দরা শীঘ্রই সবাইকে সম্পৃক্ত করে গণতান্ত্রিক ধারায় সবার জন্য উন্মুক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন কমিটি করার ঘোষণা দেন। ইফতার পূর্বে দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

Make Website

 

Quick Contact