গ্রেটার ওয়াশিংটনে সম্মিলিত প্রয়াসে একুশে উদযাপন ২৪শে ফেব্রুয়ারী

  
গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে আগামী ২৪শে ফেব্রুয়ারী শনিবার  নবম বারের মত "ডিসি একুশে এলায়েন্স (ডিসিইএ)" ব্যানারে সম্মিলিত প্রয়াসে ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনস্থ গানস্টন থিয়েটারে  সন্ধ্যা ছয়টায় অমর একুশে-শহীদ দিবস উদযাপন করা হবে । সম্মিলিত প্রয়াসের এই একুশে উদযাপন অনুষ্ঠানে  এবার ১৭টি সংগঠন অংশ নিচ্ছেন। সংগঠন গুলি হচ্ছে    Aamra Bangali Foundation, American Association of Bangladeshi Engineers and Architects (AABEA), Bangladesh Association of America Inc (BAAI), Bangladesh American Cultural Organization DC (BACODC), Bangladesh Association of Greater Washington DC (BAGWDC), Bangladesh Center for Community Development Inc, Bangla School (BCCDI), Bangladeshi American Intellectual Property Organization (BAIPO), Bangladeshi Entrepreneurs Society of Talents (BEST)
Bornomala Shikkhangon, Chittagong University Alumni Forum Inc.
Dhaka University Alumni Forum Inc (DUAFI), Dhroopad, Ektara
News Bangla Inc, Ora Egaro Jon, PeopleNTech Foundation, Inc.
Prio Bangla Inc., Shadesh Bangladesh
 “কমিউনিটির প্রত্যাশা বাংলাদেশে জাতীয় দিবসগুলির একটি অনুষ্ঠান" এর আলোকে  এই বছর কমিউনিটির  প্রায় সকল সংগঠন নিয়ে
 সংগঠিত "ডিসি একুশে এলায়েন্স (ডিসিইএ)" এর এই অনুষ্ঠানের মুল আকর্ষন পুষ্প স্তাবক অর্পন ছাড়াও থাকবে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান।  আশা করা যাচ্ছে একটি  উপভোগ্য অনুষ্ঠানই প্রবাসিদের সামনে উপস্থাপিত হবে।

উল্লেখ্য যে ২০১০ সালে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা (বাই) এর উদ্যোগে প্রথম এই সম্মিলিত প্রয়াসে একুশে উদযাপনের সূচনা হয়। বাই এর সে সময়ের সভাপতি ইনারা ইসলামের প্রচেষ্টায় এই প্রয়াসে সে বছর ছয়টি সংগঠন অংশ গ্রহন করে। সংগঠন গুলি হচ্ছেঃ বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা (বাই), বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ওয়াশিংটন (বাগডিসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট গ্রুপ (ডাগ) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট এলমোনাই ইঙ্ক(ডুগা) এবং আমেরিকান এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্ট (আবিয়া) এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব  হিমিটিরিয়ান ইঙ্ক (বাশি)।"

"ডিসি একুশে এলায়েন্স (ডিসিইএ)" এর এই অনুষ্ঠানে মেট্রো ওয়াশিংটনের প্রায় সকল শিল্পীর সমাবেশ ঘটবে। আশা করা যাচ্ছে একটি একটি উপভোগ্য অনুষ্ঠানই প্রবাসিদের সামনে উপস্থাপিত হবে।

ফেব্রুয়ারীতেই অর্ধশত বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানো হচ্ছে

অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে বহিষ্কার আতঙ্ক
নিউইয়র্কের সানি সাইডে বসবাসরত কাগজপত্রহীন এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে একটি মামলা চলছিল। ফেব্রুয়ারির শুরুতে আদালত যেদিন ওই মামলায় তাঁকে নির্দোষ বলে রায় দিয়েছেন, সেদিনই বাসার সামনে থেকে তাঁকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পাঠিয়ে দেয় নিউজার্সির আটক কেন্দ্রে। সেখানে আগে থেকেই বন্দী ছিলেন কুইন্সের হলিসের বাসিন্দা আবাসন ব্যবসায়ী কাজী আরজু ও নিউজার্সি অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম। নিউজার্সির আটলান্টিক সিটিতে বসবাসরত আরও একজন বাংলাদেশিসহ নিউজার্সির এই আটক কেন্দ্রে থাকা প্রায় ১২ জন বাংলাদেশিকে ৫ ফেব্রুয়ারি টেক্সাসের লুইজিয়ানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি ছাড়াও টেক্সাস, পেনসিলভানিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান, ফ্লোরিডার নানা জায়গা থেকে আটক করা এমন বাংলাদেশিদের সংখ্যা ৫০-৬০ জন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অভিবাসন পুলিশের অনিয়মিত ফ্লাইটে তাঁদের সবার গন্তব্য এখন বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবার, অভিবাসন অধিকার কর্মী আর আইনি পরামর্শকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

আমেরিকার মূলধারার মানবাধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল রাইটস মুভমেন্টের বড় সহযোগী সংগঠন ড্রামের একজন বাংলাদেশি সংগঠক কাজী ফৌজিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এখন আগে থেকে অবৈধ অভিবাসীদের রাখা আটক কেন্দ্রগুলো খালি করা হচ্ছে। নিউজার্সিতে ১৯ মাস আটক থাকার পর এক পাকিস্তানিকেও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির ফ্লাইটে। এমনকি অবৈধ অভিবাসী বহিষ্কারবিরোধী আন্দোলনের নেতা ল্যাটিন আমেরিকার অভিবাসী রাজীব রাগবীরকেও (যিনি বাংলাদেশি রিয়াজ তালুকদারের বহিষ্কার আন্দোলনে শীর্ষে ছিলেন) পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জেনেছি। সব দেখেশুনে মনে হচ্ছে, এখন সামান্য অপরাধ রেকর্ড আছে এমন কাগজপত্রবিহীন ব্যক্তিদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কেননা, এরই মধ্যে আটক কেন্দ্রগুলোতে আটক ব্যক্তিদের পাঠিয়ে দেওয়ার সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এগুলো শেষ হলেই সাধারণ কাগজপত্রহীন ব্যক্তিদের ধরপাকড় শুরু হতে পারে।
ব্রঙ্কসে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইনি পরামর্শক নাসরিন আহমেদ বলেন, বহিষ্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া হলেও আগের চেয়ে এটা এখন অনেক বেড়েছে। সাধারণ অপরাধীদের বহিষ্কারের হার এখন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনকারীদের বেলায়ও বহিষ্কারের পক্ষে রায় বেড়েছে কমপক্ষে ২০ শতাংশ। এমন অনেক বিচারক ছিলেন, যাঁদের আমরা চিনতাম যে তাঁরা অভিবাসীবান্ধব, সামন্য যুক্তি আর কাগজপত্র উপস্থাপন করলেই যাঁর কাছে মামলা অনুমোদন হয়ে যেত, তিনিও এখন বহিষ্কারের পক্ষে বেশি বেশি রায় দিচ্ছেন। সবকিছু মিলিয়ে মনে হচ্ছে, তাঁরা অভিবাসনবিরোধী স্রোতে ঢুকে পড়ছেন। অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের আইনজীবীরা এমন সব বিষয় যুক্তি-তর্কে নিয়ে আসছেন, যেখানে বিচারকেরা বিহষ্কারের পক্ষে রায় দিতে প্রভাবিত হচ্ছেন।
বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের নির্বিঘ্নে পাঠাতে অভিবাসন দপ্তর নিবিড়ভাবে বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৩টি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বহিষ্কার কার্যকর করার চুক্তি করেছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী যিনি যেই দেশের নাগরিক, তাঁদের সেই দেশ গ্রহণ করবে বলে বলা আছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের এল পাসো কারাগারে অনশনকারী বাংলাদেশিদের একসঙ্গে দেশে ফেরত পাঠানোর পর এবারই প্রথম বড় আকারের আরও একটি দল বাংলাদেশে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব অভিবাসীর বহিষ্কার নিয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।
কাজী আরজুর স্ত্রী উম্মে হানি লুবনার সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। যখন কথা হয় তখন তিনি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন, ‘আসলেই তাঁর আর এখানে থাকার কোনো উপায় নেই?’ লুবনা বলেন, আরজুর সঙ্গে টেলিফোনে তাঁর কথা হয়েছে, তাঁকে টেক্সাসে নেওয়া হয়েছে। তাঁর সঙ্গে অনেক বাংলাদেশিকেও সেখানে রাখা হয়েছে।

বহিষ্কারে মানবিকতাও রক্ষা হচ্ছে কম
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য গ্রেপ্তার করা কাগজপত্রহীন বাংলাদেশি নাগরিকদের আইনি সুরক্ষার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেছে। কাজী আরজুর স্ত্রী উম্মে হানি লুবনা বলেন, ‘আমার স্বামী ২৫ বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, আয়কর পরিশোধ করেছেন। তাঁদের তিন সন্তান এই দেশের পাসপোর্টধারী নাগরিক, আমি নিজেই এ দেশের নাগরিক। ছোট মেয়েটি স্কুলে কান্নাকাটি করে, এ জন্য আমাকে তিনবার স্কুল থেকে ডাকা হয়েছে। আমি সব বলেছি তাদের। এই সন্তানেরা যেন বাবার আদর-স্নেহ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য আমি আবেদন করতে চেয়েছিলাম স্থানীয় কংগ্রেস অফিসে। তারা প্রমাণ হিসেবে সন্তানের স্কুল থেকে একটি চিঠি নিয়ে আসতে বলেছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ সবকিছুই জানে, তবু তারা আমার সন্তানের পক্ষে একটি চিঠি দিতে অপারগতা জানিয়েছে। এমনকি কারাগারে আটক অবস্থায় কাজী আরজুর সঙ্গে প্রতি মিনিট কথা বলতে গিয়ে প্রায় ৬০-৭০ ডলার করে খরচ করতে হচ্ছে। আমেরিকার নাগরিক হয়েও তার সন্তানেরা তাদের বাবার পক্ষে কথা বলতে পারবে না কেন?’
নিউজার্সি থেকে গ্রেপ্তার আমিনুল হকের এক মেয়ে, দুই ছেলে। বড় মেয়ে ইভানার বয়স ১৯ বছর। তিনি ইউনিয়ন কাউন্টি কলেজে পড়ছেন। একটি ফার্মেসিতে খণ্ডকালীন কাজও করছেন। কিন্তু বাবার গ্রেপ্তারে তাঁর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করায় তিন সন্তান নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন রোজিনা আক্তার। আমিনুল হক ২০০৪ সালে স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। এরপর এখানে তাঁর ছোট ছেলের জন্ম হয়। এখন উপার্জনক্ষম বাবার অবর্তমানে পরিবার কীভাবে দিন কাটাবে, সেই চিন্তায় দিশেহারা আমিনুলের স্ত্রী আর সন্তানেরা।
এমন একটি সময়ে খুব কম মানুষের পক্ষেই জোরালো আন্দোলন হচ্ছে অথবা এটি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা হচ্ছে। সর্বশেষ কানসাস থেকে গ্রেপ্তার হওয়া রসায়নের অধ্যাপক সৈয়দ জামালের পক্ষে আমেরিকার মূলধারার সব গণমাধ্যম একযোগে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাঁর ভাগ্যে কী জুটবে, সেটা বলা যাচ্ছে না। সৈয়দ জামালের তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ বলা চলে অন্ধকার। কেননা, তাঁর স্ত্রী বেঁচে আছেন মাত্র একটি কিডনি নিয়ে। এসব ক্ষেত্রে বহিষ্কার হলে পরিবারগুলো যেখানে আমেরিকায় জন্ম নেওয়া সন্তানেরা আছে, তাদের অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে সেটারও কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
আইসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২০ জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ বছরের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আড়াই লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আমেরিকা থেকে বিতাড়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা কয়েক শ হতে পারে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের আতঙ্কে আরও ৫-৬ হাজার বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় আমেরিকা ত্যাগ করেছেন। এঁদের অনেকেই পাড়ি দিয়েছেন কানাডায়।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

 

একুশের চেতনায় সম্মিলিতভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ২১ শে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ দূতাবাসে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় রাষ্ট্রদূত মহ. শহিদুল ইসলাম পতাকা উত্তোলন করেন। পরে ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এরপর মালয়েশিয়ার ট্যুরিজম সেন্টার (মেটিক) এ হাইকমিশনের অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রথমেই পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তারা। 

এর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়া, যুবলীগ, সেচ্ছা সেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্র লীগসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া ফেনী সমিতি মালয়েশিয়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া জেলা সমিতি মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ স্টুডেন্ট ইউনিয়ন মালয়েশিয়া ,চাঁদপুর জেলা সমিতি, যশোর জেলা সমিতি, প্রবাস কথা অনলাইন পোর্টাল, মামা সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনসহ নানা পেশাজীবী প্রবাসী বাঙালীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলামের পরিচালনায় একুশের আলোচনা সভা। সভার শুরুতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন এয়ার কমডোর হুমায়ূন কবির। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন, দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিনিষ্টার রইছ হাসান সারোয়ার এবং প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের শ্রম শাখার ২য় সচিব মো: ফরিদ আহমদ।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম বলেন, একুশে ভাষার আন্দোলন হলেও প্রকৃত আন্দোলন হলো শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাঙালির সম্মিলিত প্রতিবাদ। সেদিন আত্মঅধিকার, সমতাভিত্তিক সমাজ আর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্নে জেগে উঠেছিল তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। একুশেতেই ঘটে বাঙালরি আত্মবিকাশ। যার ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পথ বেয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি বলেন, হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে এসেছে অমৃত স্বাধীনতা। একুশ বাঙালির চেতনার প্রতীক। মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে সারা দেশে অগণিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং বিদেশে যেখানে বাঙালি আছে সেখানেই গড়ে উঠেছে আমাদের অহঙ্কারের প্রতীক শহীদ মিনার। একুশে তাই আত্মত্যাগের অহঙ্কারে ভাস্বর মহান একটি দিন। জেগে উঠার প্রেরণা। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে আত্মোৎসর্গ করার শপথ গ্রহণের দিন আজ।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, দূতাবাসের ফার্ষ্ট সেক্রেটারি মাসুদ হোসেন, কমার্শিয়াল উইং মো. রাজিবুল আহসান, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মশিউর রহমান তালুকদার, শ্রম শাখার প্রথম সচিব হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, প্রথম সচিব তাহমিনা ইয়াছমিন, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ সহ দলের অঙ্গসংগঠন সহ দেশটিতে কর্মরত ইলেক্ট্রনিকস/ প্রিন্ট মিডিয়া সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন ও দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

খালেদার মুক্তির দাবিতে হোয়াইট হাউজের সামনে মানববন্ধন করবে বিএনপি

খালেদার মুক্তির দাবিতে হোয়াইট হাউজের সামনে মানববন্ধন করবে বিএনপি

প্রস্তুতি সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট।

 

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক বাসভন হোয়াইট হাউজ এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। 

 

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে এই কর্মসূচির জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি সংগ্রহ করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসন, ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড, নিউজার্সির প্যাটারসন এবং আটলান্টিক সিটি, পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া, ম্যাসেচুসেটসের বোস্টন প্রভৃতি স্থান থেকে বাস ও প্রাইভেট কারযোগে নেতাকর্মীরা ওয়াশিংটন ডিসিতে যাবেন।

 

 

গত রবিবার বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রস্তুতি সমাবেশ থেকে এ সব তথ্য জানানো হয়।

 

উল্লেখ্য, ৫ বছর যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটির অনুমোদন না আসায় ৪ খণ্ডে বিভক্ত নেতাকর্মীরা দলীয় চেয়ারপার্সনের মুক্তির প্রশ্নে এক কাতারে সামিল হলেন এবং সকল দ্বিধাদ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে থেকে সব ধরনের কর্মসূচি পালনের সংকল্প ব্যক্ত করেন।

 

নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের একটি পার্টি হলের এ সমাবেশে সামগ্রিক পরিস্থিতির আলোকে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সোলায়মান ভূইয়া, শরাফত হোসেন বাবু, আবুল কাশেম, সাবেক সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী আজম, কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূইয়া, বিএনপি নেতা মিল্টন ভূইয়া, ফিরোজ আহমেদ, হেলালউদ্দিন, মুজিব মজুমদার, পারভেজ সাজ্জাদ, সোহরাব হোসেন, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, মার্শাল মুরাদ, আহবাব চৌধুরী খোকন, সাইদুর রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আবু তাহের, সেক্রেটারি কাওসার আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদলের সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম জনি, জাতীয়তাবাদি ফোরামের নেতা এ কে এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, ড. পলাশ, রুহুল আমিন নাসির প্রমুখ।

কুয়েতে ঝরে গেল আরেকটি প্রাণ

কুয়েতে ঝরে গেল আরেকটি প্রাণ

 

কুয়েতে ডানা কোম্পানিতে কর্মরত মো. আলম (৪৫) নামে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মধ্যরাতে বুকে ব্যথা অনুভব করলে সহকর্মীরা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করে আলম। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার ভিটি বিশাড়া গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার অলি মিয়ার ছেলে। 

মরদেহ বর্তমানে ফরওনিয়া হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আলমের গ্রামের কুয়েত প্রবাসী এনামুল হক ভূইঁয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সে এক বছর হবে সাত লাখ টাকা খরচ করে কুয়েত আসে। 

আলম সকালে আল-জাহরা হাসপাতালে এবং বিকালে আল আমিরী হাসপাতালে ১৬ ঘণ্টা কোম্পানির কাজ করতো। শুক্রবার ভোরে হঠাৎ বুক ব্যথা অনুভব করলে রুমের সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Make Website

 

Quick Contact