যুক্তরাষ্টের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে বন্দুকধারীদের গুলি

যুক্তরাষ্টের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে বন্দুকধারীদের গুলি

 

আচমকা এক ঝাঁক গুলি। তাতেই ত্রস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্টের রাজধানী শহর ওয়াশিংটন শহরের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

লাস ভেগাসে ভয়াবহ হামলার পরই এবার ওয়াশিংটনে বন্দুকধারীর হামলায় প্রবর আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট, হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে নিয়েছে রক্ষীবাহিনী। চলছে বন্দুকধারীর খোঁজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ভবন বন্ধ করা হয়েছে। সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ছাত্র ছাত্রী ও অধ্যাপকদের।

ট্রাম্পের সম্পদ কমেছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

ট্রাম্পের সম্পদ কমেছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

 

আমেরিকার ধনীরা আরো ধনী হলেও গত বছর ব্যতিক্রম ঘটেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষেত্রে। তার সম্পদের পরিমাণ কমেছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার।

আমেরিকার সেরা ৪০০ ধনীর তালিকায় তার স্থান ২৪৮-তে। গত বছর ছিল ১৫৬।

প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে এ তালিকা। ট্রাম্পের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৩.১ বিলিয়ন ডলার।

 

টানা ২৪ বছরের মতো এবারও সেরা ধনী হয়েছেন বিল গেটস। তার সম্পদের পরিমাণ ৮৯ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জেফ বেজোস। তার সম্পদের পরিমাণ ৮১.৫ বিলিয়ন ডলার। ৭৮ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে তৃতীয় স্থানে ওয়ারেন বাফেট।

ট্রাম্প ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেরা এই ৪০০ ধনীর সকলেরই সম্পদ বেড়েছে গত বছর। তাদের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। আগের বছর তা ছিল ২.৪ ট্রিলিয়ন ডলার।

ভালো থাকুক আমাদের সন্তানেরা

গ্রীষ্মকালের ছুটি শেষে নিউইয়র্ক সিটির স্কুলগুলো খুলেছে কয়দিন হয়। সিটির পাঁচটি বরোতে পাবলিক স্কুলের সংখ্যা এক হাজার ৭২২। শিক্ষার্থী ১১ লাখ। এদের পড়াশোনায় সিটি ব্যয় করে বছরে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। যারা দূরের স্কুলে পড়ে, তাঁদের যাতায়াত ব্যয় অর্থাৎ মেট্রো কার্ড দেওয়া হয় স্কুল থেকে। ফ্রি ব্রেকফাস্ট পরিবেশন করা হয়। আগে ফ্রি লাঞ্চও পরিবেশন করা হতো। পরবর্তীতে বাবা-মায়ের বাৎসরিক আয়ের ওপর ভিত্তি করে কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থীকে লাঞ্চ বাবদ কিছু অর্থ পরিশোধ করতে হতো। তবে স্কুল খোলার আগে এক ইমেইলের মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দেওয়া হয়—‘Lunch will be free for all studesnts.’ অর্থাৎ কাউকেই এ জন্য কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। এতসব সুযোগ-সুবিধা সত্ত্বেও আমাদের ভাবনার অন্ত নেই। রিয়াসাত এই প্রথম বাড়ি থেকে দশ মাইল দূরের হাইস্কুলে যাচ্ছে। নতুন স্কুলের নতুন ক্লাসে তাঁর এত দিনের চেনা বন্ধুদের কেউ নেই। সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজন। স্কুল শেষে বাড়ি ফিরলেই চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞেস করি, নতুন স্কুল কেমন?
বরাবরের মতোই সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘ভালো’।
কোনো অভিযোগ নেই। কেমন করে যেন ওরা মানিয়ে নেয়! প্রাইমারি (এলিমেন্টারি) স্কুল শেষে যখন মিডল স্কুলে গেল তখন পুরোনো কিছু বন্ধু অন্তত সঙ্গে ছিল। এখানে মিডল স্কুল মানে সিক্স, সেভেন ও এইট—এই তিন ক্লাস। তিন বছরের একসঙ্গে পথ চলা, কত স্মৃতি তাঁদের! ওই স্কুল থেকে বিদায় নেবার শেষের সময়গুলো বেশ বেদনাবিধুর ছিল।
Highlights নামের একটি ডায়েরি টাইপের বই দেওয়া হয় প্রত্যেককে। যেটিতে প্রতিটি শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময়ের নানান অ্যাকটিভিটির ছবি দেওয়া। পাশে লেখা We didn't realize we were making memories, we just thought we were having fun. বইটির পেছনে বেশ কিছু খালি পেজ। যেখানে প্রতিটি ক্লাসমেট এবং শিক্ষক নিজেদের মতো করে কিছু না কিছু লিখে নিজেদের স্মরণীয় করে রেখেছে।
রিয়াসাত হয়তো একদিন আরও বড় হবে, চাকরি করবে। কিন্তু লেখাগুলো দেখলে সেই সব মুখগুলো স্মৃতিতে ভেসে উঠবে নিশ্চিত। লেখাগুলো এত ভালো লাগার যে, আমারই চোখ জলে ভিজে আসে পড়তে গিয়ে। যদিও আমি তাঁদের সবাইকে চিনি না। উইলিয়াম নামের একজন লিখেছে, Riyasat, you have such a great personality. Don't listen to the people jealous of your success. একটি লেখায় আমার জল টলমল চোখ থমকে থাকে। লেখাটি এমন, ‘রিয়াসাত, জীবন পরিপূর্ণ না হওয়া অবধি যেন তোমার মৃত্যু না হয়। প্রার্থনা করি, পূর্ণতার অনুভূতি নিয়ে যেন পৃথিবী ছেড়ে যেতে পারো। ইতি, কেভিন’।
আমি হতবাক হয়ে ভাবি, ওরা সবাই আমার সন্তানতুল্য। এত সুন্দর করে বলতে শিখল কবে? কবে এত বড় হয়ে গেল! বিদেশ বিভুঁইয়ে অন্যরকম এক বিদায় পর্ব। আমাদের স্কুল শেষের বিদায় ক্ষণ মনে পড়ে গেল এত বছর বাদে। আমরা পুরোনোরা সাজানো হলরুমে নির্ধারিত আসনে বসেছিলাম মন খারাপের হাওয়া মেখে। নিচের ক্লাসের ছাত্রীরা ফুল দিয়ে, বিদায়ের গান গাইল—‘আমার যাবার সময় হলো, দাও বিদায়, মুছো আঁখি, দুয়ার খোল, দাও বিদায়...।’ আর অমনি আমরা ঝরঝর করে কেঁদে একাকার। মঞ্চে উপবিষ্ট আমাদের হালিম স্যার চোখ টিপে টিপে অশ্রু বিসর্জনের চেষ্টা করেছিল সেদিন।

রিমি রুম্মান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিকেও বিদ্রূপ করছেন ট্রাম্প! অভিযোগ ইরানের

পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিকেও বিদ্রূপ করছেন ট্রাম্প! অভিযোগ ইরানের

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিকেও বিদ্রূপ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করল ইরান। ট্রাম্প যাতে ইরানের পরমাণু সমঝোতাকে অবজ্ঞা করতে না পারেন সেজন্য ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তেহরান

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত গোলামআলী খোশরো এই সংস্থার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কমিটির এক সভায় বক্তৃতা রাখতে গিয়ে এ আহ্বান জানান।  

তিনি বলেন, ইরানের পরমাণু সমঝোতা একটি আন্তর্জাতিক দলিল; কাজেই একক কোনো দেশের পক্ষে এটি বাতিল করা সম্ভব নয়। ইরান ওই সমঝোতা মেনে চলছে কিনা সে সংক্রান্ত স্বীকৃতি দিতে সম্প্রতি অস্বীকার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দেন তিনি।   

ইরানের বিরুদ্ধে আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে নাকি এই সমঝোতা অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসকে ৬০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন।   
এ সম্পর্কে গোলামআলী খোশরো বলেন, ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরোপিত সাময়িক সীমাবদ্ধতাকে স্থায়ী রূপ দেয়ার যে আবেদন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তা শুধু পরমাণু সমঝোতার চেতনা পরিপন্থি নয় সেইসঙ্গে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার কোন অবকাশ নেই: যুক্তরাষ্ট্র

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার কোন অবকাশ নেই: যুক্তরাষ্ট্র

 

আন্তর্জাতিক মহলকে উত্তপ্ত করে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি আর শক্তি প্রদর্শনের মহড়া

আর তারই জের ধরে মঙ্গলবার মার্কিন স্টেট ডেপুটি সেক্রেটারি জন জে সুলিভান জানিয়েছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় উত্তর কোরিয়ায় সঙ্গে আলোচনার কোন অবকাশ নেই।

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আলোচনার টেবিলে বসে নয়, কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী তারা এবং ওয়াশিংটন স্পষ্ট বার্তায় জানিয়েছে, তাদের বন্ধু জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে রয়েছে তারা।

এদিকে, উত্তর কোরিয়া নিয়ে কিছুদিন আগেই একটি কড়া বিবৃতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে 'একমাত্র একটি জিনিসই কাজ করে'। তবে কী সেই জিনিস তা নিয়ে মুখ খোলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

টুইটারে ট্রাম্প বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ও কর্তৃপক্ষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ২৫ বছর ধরে কথা বলছে। অনেক চুক্তি হয়েছে ও অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি। কালি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই চুক্তি অতিক্রান্ত হয়ে গেছে

মাত্র একটি জিনিসই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে কাজ করবে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, দরকার পড়লে উত্তর কোরিয়াকে 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' করে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়া পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ করার কথা বলার পরই একথা বলে ওয়াশিংটন।

Make Website

 

Quick Contact