প্রাক্তন সুন্দরীকে খুন, ৬০ বছর পর ধর্ম যাজকের সাজা

প্রাক্তন সুন্দরীকে খুন, ৬০ বছর পর ধর্ম যাজকের সাজা

 

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের প্রাক্তন সুন্দরীকে ৬০ বছর আগে খুন করার অপরাধে এক প্রাক্তন খ্রিস্টান যাজককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন সুন্দরী সেই সময় চার্চে ওই যাজকের কাছে স্বীকারোক্তির জন্য এসেছিলেন। সেই সময় ওই ধর্ম যাজক ঠাণ্ডা মাথায় ওই নারীকে প্রথমে যৌন হেনস্থা ও পরে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। ওই ধর্ম যাজককে শুক্রবার তার অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।   

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টেক্সাসের ম্যাকঅ্যালেন চার্চের যাজক জন ফেইটের কাছে ১৯৬০ সালের ১৬ এপ্রিল স্বীকারোক্তির জন্য আসেন পেশায় শিক্ষিকা এবং টেক্সাসের প্রাক্তন সুন্দরী ২৫ বছরের ইরেনি গার্জ। তার পরের দিন সকাল থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। সেই বছরের ২১ এপ্রিল ইরেনির দেহ উদ্ধার হয় চার্চ সংলগ্ন খাল থেকে।  

পুলিশ জানায়, খুনের আগে ইরেনির সঙ্গে যৌন নির্যাতন করা হয় এবং তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়।  

তদন্তে জানা যায়, চার্চের যাজক জন ফেইটই স্বীকারোক্তির সময় ইরেনিকে যৌন হেনস্থা করে এবং তাকে খুন করে খালের জলে ফেলে দেয়। খুনের সময় জন ফেইটের বয়স ছিল ২৭, আর এখন ৮৫। তাই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।

এতবছর কেন লাগল সাজা ঘোষণা করতে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।  

তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার ৬০ বছর পরই যাজক নিজের দোষ কবুল করেছে। তাই সেই বয়ানের রেকর্ড আদালতে পেশ করার পরই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ট্রাম্পের হঠকারিতা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে

জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তেজনা বাড়ানোর ঝুঁকি নিয়েছেন৷ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয়ের উপরই সমানভাবে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করেন ডিডাব্লিউর রাইনার জলিচ৷

প্রায় পুরো বিশ্ব এই সিদ্ধান্ত না নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করে দিয়েছিল৷ শুধু ফিলিস্তিন, আরব ও ইসলামি বিশ্ব নয়, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও পোপ ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছিল৷ ইসরায়েলি ও ইহুদিদের কয়েকটি সংগঠন, যেমন ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র হারেৎস ও জার্মানিতে ইহুদিদের কেন্দ্রীয় পরিষদও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে৷ কিন্তু কোনোকিছুতেই কাজ হয়নি৷ এত অনুরোধ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে থামাতে পারেনি৷

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার এসব সতর্কতা ও উদ্বেগকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ করতে জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন৷ এমনকি তেল আভিভ থেকে জেরুসালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলমান সবার জন্য জেরুসালেম পবিত্র এক স্থান৷

ফিলিস্তিনিদের জন্য অপমান

এটি শুধু প্রতীকীভাবে গুরুতর একটি সিদ্ধান্ত নয়, কারণ, ফিলিস্তিনের বাইরে থাকা অনেক আরব ও মুসলিমরা এতে রাজনৈতিক পরাজয় ও অবমাননা হিসেবে দেখতে পারে৷ জেরুসালেমের কথা আসলে সবসময় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আবেগ তুঙ্গে উঠে যায়৷ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে বহুবছর ধরে চলে আসা ঐকমত্য থেকে সরে এলো৷ ঐ ঐকমত্য অনুযায়ী, শান্তি প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে জেরুসালেমের অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল৷ কারণ, ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুসালেমকে তাঁদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করে থাকে৷ কিন্তু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে পূর্ব জেরুসালেমকে জুড়ে নেয়ার বিষয়টি বৈধ বলে রায় দিল৷

ট্রাম্প তাঁর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ও আরব-ইসলামি বিশ্বকে তাঁদের দুর্বলতা ও ক্ষমতাহীনতার বিষয়টি মনে করিয়ে দিলেন৷ এখন বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদ, সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নসহ আরও অনেক হুমকির বিষয় ঘটবে৷ অযৌক্তিক ও খবুই বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্টই এর জন্য দায়ী থাকবেন৷ রাজনৈতিক বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তের কোনো যুক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে না৷ খেয়ালিপনা দিয়ে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে খুবই বিপজ্জনকভাবে উসকে দিচ্ছেন৷

বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সত্ত্বেও ট্রাম্প তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন বলে মনে হয় না৷ যদি কখনও ফিলিস্তিনিরা স্বাধীন রাষ্ট্র পায়, তাহলে তাদের নতুন করে একটি রাজধানী খুঁজতে হবে৷ শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে হয়ত আরও ছাড় দিতে হতে পারে৷ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক এখন এতই ঘনিষ্ঠ যে, ফিলিস্তিনি ও আরবরা তার সামনে ক্ষমতাহীন৷ বিশেষ করে বর্তমানে আরব নেতারা প্রকাশ্যে তাঁদের ‘ফিলিস্তিনি ভাই'দের প্রতি সংহতি দেখালেও তাঁদের অগ্রাধিকার দেয়ার মতো আলাদা বিষয় রয়েছে৷ যেমন সৌদি আরব জেরুসালেমকে স্বীকৃতি না দিতে ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছিল৷ কিন্তু সৌদি আরব নিজেই আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াতে ইরানকে পেছনে ফেলতে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের উপর নির্ভর করছে৷ এছাড়া কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সহযোগিতার সম্পর্ক দেখা যাচ্ছে৷ কারণ, ইসরায়েলও ইরানকে নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখে থাকে৷

নাছোড়বান্দা ট্রাম্প জেরুসালেমে দূতাবাস সরাচ্ছেন

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ থেকে বিতর্কিত জেরুসালেম শহরে মার্কিন দূতাবাস সরে যেতে চলেছে৷ বুধবারই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷

আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত মনে হলেও ইসরায়েলের স্বীকৃত রাজধানী তেল আভিভ থেকে বিতর্কিত জেরুসালেম শহরে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের গভীর প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে৷ কারণ, ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র সৃষ্টি হলে পূর্ব জেরুসালেম তার রাজধানী হবে – এমনটাই ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন৷ এর আগে কোনো মার্কিন প্রশাসন জেরুসালেমের প্রশ্নে ইসরায়েলের প্রতি এতটা পক্ষপাতিত্ব দেখায়নি, যেমনটা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করে দেখালেন৷

 

নীতিগতভাবে জেরুসালেমেই মার্কিন দূতাবাস থাকার কথা৷ তবে ‘জেরুসালেম এমব্যাসি অ্যাক্ট' নামের আইন অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে প্রত্যেক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তেল আভিভ শহরে দূতাবাস চালু রাখতে প্রতি ৬ মাস অন্তর এক ‘ওয়েভার' বা ব্যতিক্রমি সিদ্ধান্তে সাক্ষর করতে হয়৷ শেষ ওয়েভারের মেয়াদ শেষ হবার আগে ট্রাম্পকেও সেই সিদ্ধান্ত নিতে হতো৷ কিন্তু নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি জেরুসালেমকেই ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন৷ তাঁর মতে, বাস্তবে জেরুসালেম শহরই ইসরায়েলের সরকারের প্রাণকেন্দ্র৷ সেই বাস্তব মেনে নিয়েছেন তিনি৷ তবে আপাতত তাঁকে ওয়েভার সাক্ষর করতেই হবে৷ কারণ, দূতাবাস ভবন নির্মাণ ও কর্মী স্থানান্তর করতে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে৷

 

মঙ্গলবারই ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন৷ প্রায় সবাই তাঁকে এই সিদ্ধান্তের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন৷ তাঁদের মতে, এর ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে হিংসা দেখা দিতে পারে এবং স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে৷ ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ ও সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান টেলিফোনে ট্রাম্পকে তাঁদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন৷ কট্টরপন্থি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ‘ইন্তিফাদা' বা বিদ্রোহের হুমকি দিয়েছে৷

 

ট্রাম্পের যুক্তি, এতকাল শুধু তেল আভিভে দূতাবাস রেখে অ্যামেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ব্যর্থ হয়েছে৷ তিনি নিজে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান৷ সেই প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি হবে না৷ রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সীমানা সম্পর্কেও কোনো আগাম বার্তা পাঠানো হচ্ছে না৷

 

শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্বের অন্য প্রান্তেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তুরস্কসহ অ্যামেরিকার সহযোগী দেশগুলি এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছে৷ জার্মানি ও ফ্রান্স এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে৷

অ্যামেরিকা ভ্রমণে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বৈধ

বার বার চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে সফল হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ ছ'টি মুসলিম-প্রধান দেশ থেকে অ্যামেরিকায় ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার পথ সুগম করে দিলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট৷ তবে এখনো অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে৷

চাদ, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেন – এই ছ'টি দেশ থেকে অ্যামেরিকায় প্রবেশ কার্যত বন্ধ করে দেবার উদ্যোগ নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন৷ ট্রাম্প বলেছিলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত জরুরি৷ গত সেপ্টেম্বর মাসে এই ‘ট্রাভেল ব্যান'-এর তৃতীয় সংস্করণ পেশ করা হয়৷ তাতে উত্তর কোরিয়া ও ভেনেজুয়েলার কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের যোগ করা হয়

 

কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে একের পর এক আদালতের রায়, সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল৷ বেছে বেছে শুধু মুসলিমদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ মার্কিন সংবিধানের পরিপন্থি – এমন যুক্তি তুলে ধরে চ্যালেঞ্জ জানায় একাধিক মহল৷ অবশেষে সোমবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে বৈধতা দিলো৷ অর্থাৎ অবিলম্বে এই পদক্ষেপ কার্যকর করা যাবে৷ তবে এখনো দেশের অনেক আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না৷ অর্থাৎ সেই সব আদালত এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে বিষয়টি আবার সুপ্রিম কোর্টে ফিরে আসতে পারে৷ সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতগুলিকে দ্রুত রায় দেবার ডাক দিয়েছে৷

 

অ্যামেরিকার সবচেয়ে বড় মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠন মার্কিন-ইসলামি সম্পর্ক পরিষদ এই রায়ের সমালোচনা করেছে৷ তাদের মতে, এর ফলে অনেক মার্কিন নাগরিক ও বিদেশে তাঁদের আত্মীয়স্বজনদের কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে৷ নির্বাচনি প্রচারের সময়েই ট্রাম্প যেভাবে অ্যামেরিকায় মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছিলেন, এই পদক্ষেপ সেই প্রচেষ্টারই অঙ্গ বলে মনে করছে অ্যামেরিকার মুসলিম সমাজের একাংশ৷

 

মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে৷ মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ রাখতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে এই মন্ত্রণালয়৷ নিষেধাজ্ঞার তালিকার দেশগুলি মৌলিক নিরাপত্তার মানদণ্ড মেনে চলে না এবং সন্ত্রাসবাদী ও অপরাধীদের সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কোনো তথ্যের আদানপ্রদান করে না বলে জানিয়েছে ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিইউরিটি৷ অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস আদালতর রায়কে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশাল জয় হিসেবে তুলে ধরেছেন৷

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হুমকি উত্তর কোরিয়া!

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হুমকি উত্তর কোরিয়া!

 

উত্তর কোরিয়াই এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হুমকি বলে সম্প্রতি জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার।  তবে উত্তর কোরিয়াকে রুখার ক্ষেত্রে সামরিক সংঘাতকেই একমাত্র পথ বলে মানতে নারাজ তিনি।  এদিকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া- যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি অবস্থানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

উত্তর কোরিয়া যদিও কোন রকম আলোচনাতে যেতে চাইছে না। গত বুধবার কিম আরো একটি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড তাদের হাতের নাগালে বলে আবারও হুমকি দিয়েছে পিয়ংইয়ং। কিমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রই পরমাণু যুদ্ধ বাধাতে চাইছে। কোরীয় উপদ্বীপে ‘পারমাণবিক জুয়া’ খেলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রেক্ষিতেই যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ দিনের যুদ্ধ-মহড়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বার্ষিক মহড়া হিসেবে এর নাম দেওয়া হয়েছে ভিজিল্যান্ট এস। পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধের জন্য তৈরি তাদের এফ-২২ যুদ্ধবিমান।

মহড়ায় যোগ দিয়েছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও প্রায় ১২ হাজার সেনা।

Make Website

 

Quick Contact