নিউইয়র্কে ১৭ বছরের নিচে বিয়ে নিষিদ্ধ

নিউইয়র্কে ১৭ বছরের নিচে বিয়ে নিষিদ্ধ

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ জনবহুল রাজ্য নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার পুরনো আইন সংশোধন করে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ করেছে। আগের আইনে ১৪ বছর বয়সেই বিয়ে করার বৈধতা ছিল।

ডেমোক্রেটিক দলীয় গভর্ণর অ্যান্ড্রু সুয়োমো নতুন আইনে স্বাক্ষর করেন। এতে রাজ্যটিতে বিয়ের বৈধ বয়স ১৪ বছর থেকে ১৮ বছর করা হয়েছে। তবে কেউ যদি ১৭ বছর বয়সে বিয়ে করতে চায়, তবে তাকে তার অভিভাবক ও একজন বিচারকের অনুমোদন নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এটি শিশুদের সুরক্ষা ও জোরপূর্বক বিয়ে প্রতিরোধে আমাদের প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং আমি নতুন এই আইনে স্বাক্ষর করতে পেরে গর্বিত। এতে করে নিউইয়র্কে বাল্য বিয়ে বন্ধ হল। ’

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, ২০০০ থেকে ২০১০ সাল এই ১০ বছরে নিউইয়র্কে ৩ হাজার ৮শ’র বেশি শিশুর বিয়ে হয়েছে।

ভার্জিনিয়ায় মুসলিম তরুণীকে অপহরণের পর হত্যা


 যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে নাবরা নামে ১৭ বছরের মুসলমান এক তরুণীকে মসজিদের কাছ থেকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। নাবরার স্বজনেরা বলেছেন, রোববার ভোর রাতে"আই হোপ"-এ সাহরি খেয়ে  ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফেক্স নগরের অল ডালাস  মুসলিম সোসাইটির (ADAM CENTER) মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে  বন্ধুদের সঙ্গে ঘরে ফিরছিলেন নাবরা। মসজিদের কাছেই গাড়ি চালিয়ে কাছে আসা এক যুবকের  সঙ্গে তাঁরা ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে নাবরা এবং তাঁর বন্ধুরা যে যার দিকে চলে যান। পরে নাবরাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না দেখে ভোরে মসজিদের পক্ষ থেকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। আশপাশের এলাকায় তল্লাশির পর রোববার বিকেলেই পরিত্যক্ত অবস্থায় নাবরার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ডারুইন মারটিনেজ টরেস নামের ২২ বছরের এক যুবককে আটক করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফেয়ারফেক্স পুলিশের মুখপাত্র টাউনি রিট সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো বিদ্বেষ কাজ করেছে বলে তাদের কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই।

ট্রাম্প আসার পর ব্যবসা না বাড়ায় হতাশ এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট

এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেছেন, একজন ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরও সে দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা বাড়েনি৷ এটি সে দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন তিনি৷

Shafiul Islam Mohiuddin - Präsident der FBCCI (bdnews24.com)

এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো একজন ব্যবসায়ী মার্কিন প্রশাসনের প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা খুশি হয়েছিলেন৷ নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর এফবিসিসিআই-এর তৎকালীন সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বাংলাদেশে ডিডাব্লিউর কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, একজন ব‌্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ায় তিনি আনন্দিত৷ সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু পায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘...তাই আমাদের হারানোর কিছু নেই৷''

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসের পর জুন মাসে পোশাক কারখানার কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকের স্বার্থ সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্যের অবাধ বাজার সুবিধা (জিএসপি) স্থগিত করেছিল ওবামা প্রশাসন৷ সেই সুবিধা এখনও ফিরে পায়নি বাংলাদেশ৷ অবশ্য পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশের কথা বলা হলেও এই খাত এমনিতেই জিএসপি সুবিধা পেতো না৷ তবে এই সুবিধা না থাকায় কয়েকটি রপ্তানি পণ্যের খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷

এছাড়া এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের পোশাক খাতকে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দেয়নি৷

এইসব বিবেচনায় এফবিসিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মাতলুব মনে করেছিলেন, ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসার মধ‌্য দিয়ে বাণিজ‌্যের বিচারে বাংলাদেশের সামনে একটি নতুন সূচনার সুযোগ হয়েছে৷

কিন্তু ট্রাম্প (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) ক্ষমতা গ্রহণের  পাঁচ মাস পর বর্তমান এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ডয়চে ভেলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা আশা করেছিলাম, নতুন মার্কিন প্রশাসনের প্রধান ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একজন হওয়ায় ঐ প্রশাসন ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবে৷ কিন্তু এখনও দুই দেশের মধ্যে সেরকম বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি৷ অ্যামেরিকাতে তো আমাদের ব্যবসা বাড়ছে না৷ আমরা তো প্রধানত অ্যাপারেল রপ্তানি করি৷ সেখানে ছয় শতাংশের বেশি নেগেটিভ গ্রোথ দেখা যাচ্ছে৷’’

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এখনও শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশ সুবিধা না পাওয়ায় হতাশ তিনি৷ ‘‘আমাদের যেটা দীর্ঘদিন থেকে ওদের সাথে হচ্ছে না, সেটা হলো শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশ - যা এলডিসির সদস্য হিসেবে আমাদের পাওয়ার কথা৷ কিন্তু লেবার স্ট্যান্ডার্ড, সেফটি ইত্যাদির নামে তারা আমাদের সেটা দিচ্ছে না,’’ বলেন এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন৷ বিজিএমইএ-র সাবেক প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন মে মাসের মাঝামাঝি এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন৷

তিনি অবশ্য মনে করছেন, নতুন মার্কিন প্রশাসন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকায় হয়ত বাণিজ্যের বিষয়গুলোর দিকে নজর দেয়ার সময় এখনও পায়নি৷

তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করার মতো বিভিন্ন সুযোগ আছে বলে মনে করেন এই শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা৷ তিনি বলেন, ‘‘অ্যামেরিকায় টেক্সটাইলসহ যে সানসেট ইন্ডাস্ট্রিগুলো (পুরনো ও ক্ষয়ে যাওয়া শিল্প) আছে সেগুলো আমরা যৌথভাবে এক্সপ্লোর করতে পারি৷’’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা অনুযায়ী, বাংলাদেশ কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তা বাড়াতে কাজ করছে৷ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে৷ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখনও জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে না দেয়ায় তাদের সমালোচনা করেছেন তিনি৷ ‘‘(দুই দেশের মধ্যে) আলোচনার সময় ওরা সঠিক কারণ বলতে পারে না৷ যেমন শিকাগোতে ‘শোয়েটশপ’ (যে কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ গ্রহণযোগ্য নয়) আছে, কিন্তু আমাদের এখানে একটা শোয়েটশপ থাকলেই ওটা নিয়ে অনেক আলোচনা করে,’’ ক্ষোভের সঙ্গে বলেন মহিউদ্দিন৷

উল্লেখ্য, গত মাসের ১৭ তারিখ ঢাকায় দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তির (টিকফা) তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ সেখানে জিএসপি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান ভারপ্রাপ্ত বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু৷

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে কেন জিএসপিসহ শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা আদায় করা যাচ্ছে না, সে প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আমি মনে করি, এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত৷ ট্রাম্প প্রশাসন যদি মনে করে বাংলাদেশ একটি অন্যতম বন্ধুরাষ্ট্র, তাহলে হয়ত হতে পারে৷ আমার মাঝে মধ্যে মনে হয়েছে, বাংলাদেশ একটা ‘ডিসপ্রপোর্শনেটলি অ্যাফেক্টেড কান্ট্রি’, মানে যেটা ডিজার্ভ করে সেটা পায় না৷’’

তিনি বলেন, ‘‘যখনই আলোচনা করতে যাওয়া হয়, তখনই তারা (যুক্তরাষ্ট্র) একটা করে ইস্যু নিয়ে আসে, ইন্ডিভিজুয়াল দু-একটা ইস্যুকে দাঁড় করিয়ে দিতে চায়৷’’

সংঘর্ষের সময় বেশিরভাগ নৌসেনা ঘুমিয়ে ছিলেন

সংঘর্ষের সময় বেশিরভাগ নৌসেনা ঘুমিয়ে ছিলেন

 কন্টেইনারবাহী জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজটি

 

জাপান উপকূলে ফিলিপাইনের একটি জাহাজের সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজের সংঘর্ষে নিহত সাত মার্কিন নৌসেনার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। শনিবার জাপান উপকূলে দুর্ঘটনার কবলে পড়া মার্কিন রণতরী ইউএসএস ফিটজজেরাল্ডের ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।

সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত একটি কম্পার্টমেন্ট থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। এ ঘটনায় সাতজন নিহত ছাড়াও আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আজ নিহতদের নাম প্রকাশ করা হলো। নিহতরা হলেন, ডাকোটা কাইল রিগসবি (১৯), নু হার্নান্দেজ (২৬), কার্লোস ভিক্টর গানজন শিবায়ন (২৩), শিংগো আলেকজান্ডার ডগলাস (২৫), এনগক টি. ট্রুং হাইন (২৫), জাভিয়ার অ্যালেস মার্টিন (২৪) এবং গেরি লিও রেম জর (৩৭)।

ফিলিপাইনের কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের সঙ্গে প্রচণ্ড ধাক্কা লেগে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ফিটজজেরাল্ড দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

মার্কিন নৌবাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় জাহাজের বেশিরভাগ সেনা সদস্য ঘুমিয়েছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এত হতাহতের ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ঋণের পরিমাণ ৩১ কোটি ডলারেরও বেশি

ট্রাম্পের ঋণের পরিমাণ ৩১ কোটি ডলারেরও বেশি

 

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের এথিকস দপ্তর প্রকাশিত আর্থিক বিবরণীতে দেখা গেছে, জার্মান, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য ঋণদাতারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অন্তত ৩১ কোটি ৫৬ লাখ ডলার পাওনা রয়েছেন।

গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সম্পদের আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করে সরকারের এথিকস দপ্তর।

এতে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এথিকস দপ্তরের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা ৯৮ পৃষ্ঠার ওই নথিগুলোর বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ওই নথিতে দেখা গেছে, ‘উইন্টার হোয়াইট হাউস’ নামে পরিচিত ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মালিকানাধীন মার-এ-লাগো রিসোর্টের আয় আগের চেয়ে বেড়েছে। আর গত সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসের কাছে চালু করা ওয়াশিংটন হোটেল থেকে ট্রাম্পের আয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি ডলার।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের প্রথম দিকে তার অন্তত ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় হয়েছে এবং তার সম্পদের পরিমাণ একশ ৪০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ।

প্রকাশিত নথিতে আরো দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ৫৬৫টি কর্পোরেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা পর্যায়ের অবস্থানে ছিলেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার আগের দিন চলতি বছরের ১৯ জানুযারি বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার পদ থেকে তিনি বিদায় নেন।

তার বেশিরভাগ ব্যবসা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হলেও স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ব্রাজিল, বারমুডা ও অন্যান্য কয়েকটি দেশেও তার বেশ কিছু ব্যবসা আছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কী পরিমাণ ট্যাক্স দিয়েছেন তা প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন তিনি। তার জমা দেওয়া ট্যাক্সের পরিমাণ জানা গেলে তার সম্পদের মোট পরিমাণ ও ব্যবসায়িক মুনাফা সম্পর্কে পরিষ্কার একটি ধারণা পাওয়া যেত।

কিন্তু ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশ করার বদলে যুক্তরাষ্ট্র্রের কেন্দ্রীয় সরকারের ফর্মে নিজের ও পরিবারের আয়, সম্পদ ও ঋণের তথ্য জমা দিয়েছেন তিনি।

হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যক্তিগত সম্পদ প্রকাশের সুযোগ গ্রহণ করেছেন এবং সেট ফর্মটি সরকারের এথিকস দপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত।

Make Website

 

Quick Contact