পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র ফাঁস!

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র ফাঁস!

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের দায়িত্ব দিতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গেরই এক কলেজ ছাত্রকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি মোবাইল নম্বর থেকে পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের আদি গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে বহরমপুর পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র কৃষ্ণেন্দু রোজ নামের এক ছাত্রের মোবাইলে ৯৪১ কোড নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠানো হয়।

তাঁকে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে খুন করার জন্য ভারতে এক জন লোক খোঁজা হচ্ছে। এ কাজের জন্য দেওয়া হবে এক লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড। এই মেসেজের ভিত্তিতে অভিযোগ জানানো হলেও প্রথম দিকে জেলা পুলিশ তেমন গুরুত্ব দেয়নি। মঙ্গলবার সিআইডি তদন্ত হাতে নেওয়ার পর তৎরতা শুরু হয়েছে।

ওই কলেজ পড়ুয়া বলেন, ‘আমি মেসেজ পাওয়ার পর প্রথমে গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু ওরা একটা ছবি পাঠিয়ে বলে আমার লোকেশন ফলো করা হচ্ছে। তার পরেই ভয় পেয়ে যাই। সন্ধ্যা নাগাদ বহরমপুর থানায় গিয়ে পুরোটা জানানোর পর আমাকে বলা হয় মোবাইল কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে রাখুন। তা হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।

আমি থানা থেকে বেরিয়ে সব ডিলিট করে দিয়ে ওই নম্বরটি ব্লক করে দিই। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে ফের অন্য একটি নম্বর থেকে আমার লোকেশন জানানো হয়। তাতেই ঘাবড়ে যাই। বিষয়টি জানাই দুমকায় থাকা আমার দাদা সুমনকে। ’

পুলিশ আপাতত তদন্তে জানতে পেরেছে, কোড নম্বরটি আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার। ইন্ডিয়ান স্কুল অফ এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের অধিকর্তা সন্দীপ সেনগুন্ত অবশ্য বলছেন, ‘বাইরের নম্বর ব্যবহার করে এ রাজ্যে বসেই এই কাজ করা সম্ভব। কেউ আমেরিকার নম্বর নিয়ে এখানে এলে কল না করলেও হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখতে পারেন। এটা সে ভাবেও হতে পারে। ’

সোমবার বেলা একটা নাগাদ বহরমপুরে কলেজ হোস্টেলে থাকার সময় কৃষ্ণেন্দুর মোবাইলে হঠাৎ করেই একটি অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ আসে। অন্য প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘আমার নাম লাতিন। আমেরিকায় থাকি। ’ কৃষ্ণেন্দু পাল্টা জানতে চান, ‘আমাকে কেন এসএমএস করেছেন ?’ এ বার ও -প্রান্ত থেকে জবাব আসে, ‘আমরা এক জন জঙ্গি খুঁজছি। ভারতে এক জনকে চাই। এ জন্য এক লাখ পাউন্ড দেওয়া হবে। তোমার কোনও চিন্তা নেই। তুমি নিরাপদে থাকবে। তুমি কি তৈরি আছ ?’ কৃষ্ণেন্দু অপেক্ষা করতে বলেন। কৃষ্ণেন্দু বলেন, ‘আমি পরিচিত এক বন্ধুকে ফোন করি। সে বলে কথা চালিয়ে যেতে।

এর পর ফের ওপার থেকে বলা হয়, ‘দ্রুত জানাও না হলে অন্য কাউকে খুঁজতে হবে। ’ এ বার সরাসরি না করে দেন কৃষ্ণেন্দু। এও বলেন, ‘আমি দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনও কাজ করব না। ’ উত্তর আসে, ‘আমরা ভারতের ক্ষতি করতে চাই না। শুধু এক জনকে মারতে হবে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। ’ এর পরেই থানার দ্বারস্থ হন কৃষ্ণেন্দু। কিন্তু রাত আটটা পঞ্চাশ নাগাদ আবার মেসেজ আসে। বলা হয়, ‘আমরা থানার আশেপাশে তোমার লোকেশন পাচ্ছি। তুমি আমাদের বোকা বানাতে পারবে না। বেশি চালাকি করলে তোমাকেও মেরে ফেলা হবে। ’

মঙ্গলবার সকালে দুমকায় ফোন করে আতঙ্কিত কৃষ্ণেন্দু তাঁর দাদা সুমনকে বিষয়টি জানান। তিনি কলকাতা রেডিয়ো ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাসকে জানান। অম্বরীশ সিআইডির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকেও বিস্তারিত জানানো হয়। কলেজের পক্ষ থেকেও পুলিশে যোগাযোগ করা হয়। সিআইডি সূত্রে জানানো হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

তবে প্রাথমিক ভাবে পুলিশের ধারণা, সম্ভবত এখান থেকেই কাজটি করা হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা জড়িত থাকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নেকাব নিষিদ্ধ করে কানাডায় আইন পাশ

নেকাব নিষিদ্ধ করে কানাডায় আইন পাশ

 

জনসেবা প্রদান ও গ্রহণ করতে মুখমণ্ডল ঢেকে রাখা যাবে না নিয়ম করে একটি আইন পাশ করেছে কানাডার এক প্রাদেশিক সরকার। সবার জন্য এ বিধি নিষেধ আরোপ করা হলেও সমালোচকদের মতে মুসলিম নারীদের লক্ষ্য করে এটি করা হয়েছে।

বুধবার ক্যুবেকের জাতীয় পরিষদে ৬৬-৫১ ভোটে বিলটি পাশ হয়। ২০১৪ সাল থেকে প্রাদেশিক ক্ষমতায় থাকা লিবারেলরা দুই বছর আগে বিলটি উত্থাপন করে।  

এই আইনের ফলে ক্যুবেক প্রদেশে সরকারি সেবা গ্রহণের জন্য বোরকা ও নেকাবধারীরা তাদের চেহারা দেখাতে দেখাতে হবে। এর ফলে এখন থেকে পুলিশ, শিক্ষক, ডাক্তার ও বাস ড্রাইভারসহ প্রশাসনে ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কর্মরতরা মুখ ঢেকে রাখতে পারবে না ।

আইনটিতে যদিও  মুসলিম ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি, তারপরও এ আইনের ফলে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যাবে।  

সরকার দাবী করছে, সব ধরণের নাগরিকদের জন্য এ আইন করা হয়েছে, নির্দিষ্ট করে মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। কিন্তু এ আইনের ফলে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বাঁধাগ্রস্ত হবেন মুসলিম নারীরাই।  

সূত্র: বিবিসি

কংগ্রেসের শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন রাহুল গান্ধী

সোনিয়া গান্ধীর পর রাহুল গান্ধী জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হবেন কিনা – তা নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা চলছিল৷ তবে শুক্রবার সোনিয়া গান্ধী একরকম সরাসরিই জানিয়ে দিলেন দলের পরবর্তী সভাপতি তাঁর ছেলেই হবেন, তা-ও এ মাসের শেষেই৷

স্বাভাবিকভাবেই সোনিয়া তথা কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত প্রশ্ন তুলেছে – আগামী সাধারণ নির্বাচনে রাহুল গান্ধী কি পারবেন দলকে টেনে তুলতে?

নেহেরু-গান্ধী পরিবারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই জাতীয় কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন দলের বর্তমান সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ দলের বর্তমান সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী স্বয়ং দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন সেকথা৷ বলেছেন, ‘‘অনেকদিন ধরেই আমার কাছে যেটা জানতে চাওয়া হচ্ছিল, এখন সেটাই হতে চলেছে৷ হ্যাঁ, আমার ছেলে রাহুলই ধরবে দলের হাল৷ সম্ভবত এই মাসের শেষ তাগাদ৷ কংগ্রেস সূত্রের খবর, দীপাবলির আগে কংগ্রেস কর্ম সমিতির বৈঠকে দলের সভাপতি হিসেবে রাহুলের নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিলমোহর দেওয়া হবে৷

ছয়টি রাজ্য ছাড়া সব রাজ্যগুলিতে কংগ্রেসের দলীয় নির্বাচন শেষ৷ একমাত্র প্রার্থী হিসেবে রাহুল গান্ধী সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত৷ কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত হতে চলেছেন, যেটা সোনিয়া গান্ধীর ক্ষেত্রে হয়নি৷ ২০০০ সালে দলের সভানেত্রী হিসেবে সোনিয়া গান্ধীকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার সন্মুখীন হোতে হয়েছিল৷ দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত জীতেন্দ্র প্রসাদ৷ সোনিয়া গান্ধী দলের ক্ষমতা তুলে দেবেন রাহুলের হাতে এ মাসের শেষে৷ নিজে দলের কোনো পদে থাকবেন না৷ থাকবেন শুধু সংযুক্ত দলীয় জোট ইউপিএর চেয়ারপার্সন হিসেবে৷ দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সাংগঠনিক নির্বাচন, মনোনয়নপত্র দাখিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং ভোটের তারিখ সম্ভবত ২৫শে অক্টোবর৷

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমানে জাতীয় কংগ্রেসের যে দূরবস্থা তাতেরাহুল গান্ধী কি কংগ্রেসকে সর্বভারতীয় ভিত্তিতে আবার চাঙা করে তুলতে পারবেন? রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা বিচক্ষণতার দিক থেকে কতটা যোগ্য তিনি? তিনি কি পারবেন ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসকে আবারো ক্ষমতায় আনতে? বলা বাহুল্য, এই নিয়ে আছে বিস্তর মতান্তর৷ গত সংসদীয় নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে তিনি আদৌ মাথা তুলতে পারেননি৷ তাঁর বিরুদ্ধবাদীদের অনেকের কাছ থেকে তাঁকে ঠাট্টাচ্ছলে পাপ্পু নাম শুনতে হয়৷

এমনকি উত্তর প্রদেশের আমেথি কেন্দ্র থেকে জিতে আসার পর সংসদে নিজের ভাষণশৈলি দিয়ে দাগ কাটতে ব্যর্থ হয়েছেন৷ দু-একবার কলাবতী নামের দলিত মহিলাকে নিয়ে আবেগঘন কাহিনি তোলার চেষ্টা করেছেন মাত্র৷ মোদী সরকারকে কোনো ইস্যুতেই কোণঠাসা করতে পারেননি৷ দলের চিন্তন বৈঠকেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত৷ তবে দলের সহ-সভাপতি হিসেবে রাহুল গান্ধী দু-একটি  মুখরোচক শব্দবন্ধ দিয়ে মাঝে মধ্যে মোদী সরকারকে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছেন৷ যেমন মোদীর সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি স্যুট-বুট সরকার বলে৷ আবার অতি সম্প্রতি ১০ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয় এবং মার্কিন প্রশাসনের রাজনৈতিক মহলের কাছে রাহুল গান্ধী তুলে ধরেন মোদী সরকার ধর্মীয় মেরুকরণ, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, বিপজ্জনক অসহিষ্ণুতার দিকগুলি৷

 কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে রাহুল গান্ধী কি২০১৯ সালের নির্বাচনে দলকে ক্ষমতায় আনতে সক্ষম হবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্র বিজ্ঞানি উদয়ন বন্দোপাধ্যায় ডয়চে ভেলেকে বলেন, তাঁর মতে দলকে চাঙা করতে পারতেন, যদি বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস সংগঠনগুলি মজবুত হতো৷ যেটা এখন অতটা নয়৷ হালে অবশ্য পাঞ্জাবের গুরদাসপুর সংসদীয় উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর জয়লাভকে বেশ বড় কোরে দেখানো হচ্ছে৷ তবে কিছু তরুণ কংগ্রেস নেতা আছেন, যাঁরা দলকে মজবুত করতে চেষ্টা করছেন৷ যেমন রাজস্থানের শচিন পাইলট, মধ্যপ্রদেশের জ্যোতিরিন্দ্র সিন্ধিয়া প্রমুখ৷ এঁরা সবাই রাহুলের হাত শক্ত করতে পারেন৷ এগুলো পজিটিভ ফ্যাক্টর৷ মোদ্দা কথা হচ্ছে, রাহুল গান্ধী হয়ত একনিষ্ঠ রাজনীতিক নন৷ মাঝে মাঝে থাকেন, মাঝে মাঝে গায়েব হোয়ে যান৷ উনি অনেক কথাই বলেন বটে, কিন্তু তার বাস্তবায়নের সঠিক পরিকল্পনা নেই৷ বড় মাপের সংগঠন পরিচালনার কর্মকুশলতা তেমন দড় নন৷

পারিবারিক কারণে দলের সভাপতি হওয়াটা অস্বীকার না করেও বলা যায় যে, এটাকে বড় করে দেখা ঠিক নয়৷ এই উপ-মহাদেশে বহু দেশেই পারিবারিক শিকড়কে ধরে অনেকেই ক্ষমতায় এসেছেন৷ যেমন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের মেয়ে হিসেবে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা অথবা মিয়ানমারে অং সান সু – দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র একটা সাধারণ বিষয়৷

তবে বিজেপিকে বেকায়দায় ফেলার যে সুযোগটা এসেছিল, রাহুল গান্ধী সেটাকে কাজে লাগাতে পারেননি৷ এই যেমন নোটবন্দি ইস্যুতে৷ ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, রাহুল গান্ধী এখনও মোদী-বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে পারেননি৷ হ্যাঁ, কখনও হয়ত উনি আদিবাসী বাড়িতে গেছেন, কখনো গেছেন দলিত পরিবারে৷ এগুলো সব বিক্ষিপ্ত ঘটনা৷ কিন্তু একটা ‘কালেক্টিভ লিডারশিপ' গড়ে তুলতে পারেননি এখনও পর্যন্ত৷ এ সব কথাই ডয়চে ভেলেকে বললেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক উদয়ন বন্দোপাধ্যায়৷

আসল কথা, মোদী সরকারকে হটানোর জন্য দরকার সক্রিয় দলীয় সংগঠন, রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এবং আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে মসৃণ জোটের রসায়ন৷ সেটা করতে না পারলে শুধু গালভরা কথা দিয়ে ২০১৯ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়৷ সম্ভব নয় রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নপূরণ৷ পাশাপাশি, স্বাস্থ্যের কারণে সোনিয়া গান্ধীর পক্ষেও দলের হাল ধরে রাখা আর সম্ভব হচ্ছে না৷ আর কংগ্রেস যে কত দুর্বল হয়ে পড়েছে, ২০১৪ সালের সংসদীয় নির্বাচনি ফলাফলই তা বলে দিয়েছে৷

ভেনিজুয়েলার নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করল বিরোধী দল

ভেনিজুয়েলার নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করল বিরোধী দল

 

ভেনেজুয়েলায় অনুষ্ঠিত দেশটির আঞ্চলিক নির্বাচনের ফলাফল তারা প্রত্যাখান করেছে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন। তারা জানিয়েছে, এ নির্বাচনের সরকারি ফলাফলে দেখা যায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সমাজতান্ত্রিক দল বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।

বিরোধী দলের প্রচারণা বিষয়ক পরিচালক গেরার্দো ব্লাইড বলেন, আমরা এখন কোন ফলাফল মেনে নিচ্ছি না। আমরা দেশের জন্য অত্যন্ত ক্রান্তিকাল মোকাবেলা করছি।

পর্তুগালে দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১, আহত ৭১

পর্তুগালে দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১, আহত ৭১

 

পর্তুগালে ভয়াবহ দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১-এ দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পর্তুগালের সিভিল প্রটেকশন অ্যাজেন্সির মুখপাত্র প্যাট্রিসিয়া গাসপার এ তথ্য দিয়েছেন। গত রবিবার থেকে পর্তুগালের ৫০০টির বেশি স্থানে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাণহানির ঘটনায় মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়। দাবানল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

Make Website

 

Quick Contact