ত্রয়োদশ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ব্যবসায়ীদের চোখে ‘আশার আলো’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়া এবং ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনেকটা নিশ্চিত হওয়ায় দেশের ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি ফিরছে। আর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সে পথেই হাঁটছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই। দ্রুত নির্বাচনের দিন-তারিখ ঘোষণা করা হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার হাসিনা ভারতে পলায়নে পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং নানা অস্থিতিশীলতায় কমেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। ফলে, দারিদ্র্য ও বৈষম্য বাড়ায় দেশে কমছে কর্মসংস্থানের হার। দীর্ঘদিন থেকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা বিরাজ করছিল। আর তাই বেসরকারি গবেষণা সংস্থা (সিপিডি) বিভিন্ন সময়ে বলেছে, নির্বাচন ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়। এমনকি ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতার কারণে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আর তাই সরকারের নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা দূর হবে এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশের ব্যবসায়ী মহল।
আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছর দেশে প্রচলিত নির্বাচন প্রথা বাতিল করে ‘নির্বাচন নাটক’ করেছে। কখনো বিনাভোটে, কখনো রাতের ভোটে কখনো, আমি-ডামি প্রার্থীর ভোটে ক্ষমতা দখল করেছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে মানুষ মুখিয়ে রয়েছে নির্বাচনের দিকে। হাসিনা পলায়নের পরও দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরছিল না। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এবং মোদি সরকার দেশকে অস্থিশীল করতে নানামুখী অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন। আর বিদেশিরাও বিনিয়োগের নিশ্চয়তায় নির্বাচিত সরকার চাচ্ছিলেন। যে কারণে দেশের মানুষের সবার চাওয়া দ্রুত নির্বাচন ও একটি রাজনৈতিক সরকার। আর তাই কয়েক মাস আগে লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের দিকে দৃষ্টি ছিল সারা দেশের মানুষের। বৈঠকে নির্বাচন ইস্যুতে সঙ্কটের সুরাহার প্রত্যাশায় ছিল মানুষ। ব্যবসায়ী মহলও ব্যতিক্রম ছিল না। বিশেষ করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হয় না। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ বাস্তবতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ওই সস্মেলনে ৩১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও বিদেশিরা বলেছেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে কেবল বিনিয়োগ করবেন। দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেই একই অবস্থা। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে নির্বিঘেœ ব্যবসা চলে না। লন্ডন বৈঠকে ড. ইউনূস ও তারেক রহমান আগামী রমজানের আগে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ওই সময় বলেছেন, অতি শিগগিরই নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তারিখসহ রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। এরপরও স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ, ভারতীয় ষড়যন্ত্র এবং দেশের মধ্যে অস্থিশীলতায় নির্বাচন হবে কিনা এ নিয়ে ধূ¤্রজাল ছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনার ঘোষণায় সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যায়।
বিদেশে অর্থপাচারসহ নানা কারণে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই দুর্দশায় দেশের আর্থিক খাত। দুর্দশার মাত্রা কতটা তা বোঝাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এ বিষয়ে বলেছিলেন, দেশের আর্থিক খাতের অবস্থা পাকিস্তানের চেয়েও খারাপ। তবে অতীতের ভুল সংশোধন করতেই সময় যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর। সঠিক নীতি, সংস্কার ও পরিকল্পনার অভাবে সেই দুর্দশা আরো কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে দেশের আর্থিক খাতকে। এই ধারাবাহিকতায় রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় ছাড়া আর্থিক খাতের কোনো সূচকেই সফলতা নেই। কর্মসংস্থান, বাজেট বাস্তবায়ন, রাজস্ব আদায়, বেসরকারি বিনিয়োগ, পুঁজিবাজার সব খাতেই নি¤œমুখী ধারা ছিল। যদিও পুঁজিবাজারেও নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় চাঙ্গাভাব ফিরেছে। এদিকে আর্থিক খাতের মেরুদ- ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার না আসা পর্যন্ত দেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে না।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, স্থিতিশীলতা ও নির্বাচন প্রশ্নে বলতে হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের ইতোমধ্যে এক বছর চলে গেছে। এখন নির্বাচনের একটি সুনির্দিষ্ট ডেট দেয়া যুক্তিযুক্ত। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট ডেট ঘোষণার সময় এসে গেছে। তিান বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে বিনিয়োগ হবে না। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান, প্রবৃদ্ধি হবে না। তাই অর্থনীতি ও দেশের স্বার্থে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দরকার ছিল।
এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান ইনকিলাবকে বলেন, বিনিয়োগ নেই, নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না। যন্ত্রপাতি আমদানি এলসি নেই বললেই চলে। এর কারণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। এ জন্য দ্রুত নির্বাচন দরকার। নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে দেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা আগামী দিনে কী হবে এ নিয়ে চিন্তিত। তাই নতুন বিনিয়াগে আসছে না, অনেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সরকারের নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দূর হবে, ব্যবসায়ীরা আস্থা ফিরে পাবে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতে চাঙ্গাভাব ফিরবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে মতবিরোধ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলেছে। একই সঙ্গে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পরে ফ্যাসিস্ট হাসিনার নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং ব্যবসার পরিবেশ না থাকায় বেচা-বিক্রি কমে যাওয়ায় ছোট ছোট ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। শ্রমিকদের বেতনও তুলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। যে কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। দেশে বিনিয়োগের পাশাপাশি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে বিদেশি বিনিয়োগও। তবে অবশেষে নির্বাচনী চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণ ফিরে এসেছে। স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে আর্থিক খাতে অস্থিরতা যেমন দূর হবে, তেমনি একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মত ব্যবসায়ীদের। যা আগামী দিনে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে গতিশীল করবে বলে মত দিয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকলে দায়বদ্ধতা থাকবে। তাই সবাই মুখিয়ে আছেন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের জন্য। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, বর্তমানে দেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলছে। নানা কারণে বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যারা নতুন শিল্প স্থাপন করতে চান বা ব্যবসা শুরু করতে চান, তারাও অপেক্ষা করছেন একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের জন্য। যে কারণে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য দ্রুতই দেশে একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।
মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, যত দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হবে, তত দ্রুত দেশের অর্থনৈতিক গতি ফিরবে, বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার লাভ করবে।
ব্যবসায়ীদের আরেক সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করেন তিনি।
তাসকীন আহমেদ বলেন, আমরা সবসময়ই ব্যবসার সাথে রাজনীতিকে আলাদা রাখতে চাই। তবে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ দরকার। রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশটাও ঠিক থাকে। তিনি বলেন, গত এক বছর ধরে আমরা খুবই খারাপ সময় অতিক্রম করেছি। নির্বাচন নিয়ে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য এই সঙ্কট আরো বাড়িয়ে দেয়ার শঙ্কা তৈরি করছিল। এ থেকে পরিত্রাণ মিলেছে। তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগের জন্য সব সময়ই গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ভালো। নির্বাচন দেয়া এবং এর দিনক্ষণ ঠিক করা সরকারের কাজ। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে যুক্ত করে শান্তিপূর্ণ অবস্থা ধরে রাখা দরকার। ‘তবে নির্বাচন হতে এখনো যে কয়েক মাস সময় বাকি, সে সময়েও স্থিতিশীলতা দরকার। সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা দরকার।
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেছেন, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ সবার মধ্যেই অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, যত দ্রুত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে ততটাই দেশের জন্য বা অর্থনীতির জন্য মঙ্গল। নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় ব্যবসায়ীরা উজ্জীবিত হবে বলে মনে করেন তিনি।
জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এফবিসিসিআইয়ের বৈষম্যবিরোধী সংস্কার পরিষদের মিডিয়া ও লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক ও প্রেসিডেন্ট বিসিসিএমইএ আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ীরা খুবই খারাপ সময় পার করছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার দুর্নীতি ও অর্থপাচার করে ব্যবসা, বাণিজ্য ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাসহ সর্বোপরি দেশের অর্থনীতিকে প্রায় ধ্বংস অবস্থায় রেখে গেছে। বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মুদ্রাস্ফীতি কমানোসহ দেশের ব্যবসা বাণিজ্যকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অস্থিতিশীল পরিবেশের কারণে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশটাও ঠিক থাকবে।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতি চাপে আছে। নির্বাচন নিয়ে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের কারণে সঙ্কট আরো বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণায় সেই শঙ্কা অনেকটা দূর হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচন নিয়ে অচলাবস্থা দূর হওয়ার মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা আসবে বলে উল্লেখ করেন আতিকুর রহমান।