USA

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ঠেকানোর ক্ষমতা কমল নিম্ন আদালতের

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে আদেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ স্থগিত করার ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের ক্ষমতা সীমিত করা এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে করা একটি জরুরি আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হলেও তা প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুর নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া সাংবিধানিকভাবে বৈধ কি না, সে বিষয়ে আদেশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি সুপ্রিম কোর্ট। ফলে এ আদেশের মধ্য দিয়ে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে নির্বাহী আদেশ দিয়েছেন, তা কার্যকর হবে কি না, সেটি স্পষ্ট নয়। যদিও ট্রাম্প এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে ‘বড় জয়’ বলে দাবি করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার সকালে দেওয়া এই আদেশে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জনই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে রায় দেন। রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের পক্ষে আদেশ লেখেন অ্যামি কোনি ব্যারেট। এতে ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করার নীতিকে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি নীতিটির বৈধতা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

আদালতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মধ্যে উদারপন্থীদের বিরোধিতার মুখে পাস হওয়া এই আদেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শুক্রবারের এই আদেশের পর ৩০ দিন পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

ট্রাম্প এই রায়কে তাঁর বিস্তৃত এজেন্ডার বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তের কারণে আমরা এখন দ্রুত অনেক নীতিমালা কার্যকর করার জন্য আবেদন করতে পারব, যেগুলো দেশের সর্বত্র অবৈধভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।’ ট্রাম্প আরও বলেন, এটা (এই নীতি বা নিয়ম) এমন ব্যক্তিদের জন্য নয়, যাঁরা দেশের নিয়মকানুন ফাঁকি দিয়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button