
১৫ মিনিটের জায়গায় এক ঘণ্টা: ট্রাম্পের ভাষণে মিথ্যাচারের পাহাড়
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল পর্বের প্রথম দিনটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ছিল বিভ্রাটে ভরা। কখনো চলন্ত সিঁড়ি বন্ধ তো কখনো নষ্ট টেলিপ্রম্পটার—একের পর এক ঘটনায় তিনি বিরক্ত হয়ে পড়েন। নির্ধারিত ১৫ মিনিটের জায়গায় এক ঘন্টা ধরে ভাষণ দেন, যেখানে বরাবরের মতোই ছিল প্রচুর মিথ্যাচার।
চলন্ত সিঁড়ি ও টেলিপ্রম্পটারের বিড়ম্বনা
ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ট্রাম্পের বিড়ম্বনা শুরু হয়। এস্কেলেটরে পা রাখতেই হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে তারা ধাক্কা খান। বাধ্য হয়ে দুজনেই হেঁটে উপরে ওঠেন। তাদের মুখে বিরক্তির ছাপ ছিল স্পষ্ট। পরে জাতিসংঘে উপ-মহাসচিবকে দেখামাত্র ট্রাম্প অভিযোগের সুরে বলেন যে অল্পের জন্য ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া পড়তে পড়তে বেঁচে গিয়েছেন।
বিড়ম্বনার শেষ এখানেই ছিল না। মঞ্চে উঠে পোডিয়ামের সামনে দাঁড়াতেই তার ভাষণ দেখে পড়ার টেলিপ্রম্পটারটি বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্বনেতাদের ভরা মজলিসে তিনি জাতিসংঘকে এক হাত নিয়ে বলেন যে, নষ্ট এস্কেলেটর আর নষ্ট টেলিপ্রম্পটার ছাড়া আর কিছুই তিনি জাতিসংঘের কাছ থেকে পাননি।
ভুলভাল ভাষণ ও মিথ্যাচার
সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের বক্তব্যের জন্য ১৫ মিনিট সময় নির্ধারিত থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘণ্টাখানেক ধরে অনর্গল কথা বলেন। যথারীতি তার বক্তব্যে প্রচুর ভুলভাল তথ্য ছিল। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্ট-চেকিংয়ে তার মিথ্যাচারের তালিকা উঠে এসেছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি মিত্র যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর নাম ভুলে যান এবং তাকে ‘দ্যা প্রাইম মিনিস্টার’ বলে সম্বোধন করেন। এরই মধ্যে আবার ভাষণের লাইভ সম্প্রচারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে ছাপিয়ে পর্তুগিজ অনুবাদ শোনা যাচ্ছিল।




