USA

১৪০০ পারমাণবিক কর্মীকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

জাতীয় পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের (এনএনএসএ) প্রায় এক হাজার ৪০০ কর্মীকে সোমবার থেকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে, গুরুত্বপূর্ণ জননিরাপত্তার দায়িত্বে প্রায় ৪০০ জন কর্মী থাকবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউন দীর্ঘায়িত হওয়ায় পারমাণবিক কর্মীদের একটি বড় অংশকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠানো শুরু হয়েছে। এদিকে শাটডাউন শেষ করতে আরো একবার কংগ্রেসের ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্প প্রসাশন। শাটডাউন ইতোমধ্যেই চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, জাতীয় পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের (এনএনএসএ) প্রায় এক হাজার ৪০০ কর্মীকে সোমবার থেকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে, গুরুত্বপূর্ণ জননিরাপত্তার দায়িত্বে প্রায় ৪০০ জন কর্মী থাকবেন।

বৈশ্বিক নিরাপত্তা সম্পর্কিত অলাভজনক সংস্থা বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস-এর তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মোট পাঁচ হাজার ১৭৭টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার ৭৭০টি মোতায়েন করা আছে। জাতীয় পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসন ৬০ হাজার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের তদারকি করে। একইসাথে পারমাণবিক অস্ত্র ডিজাইন, উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।

সিএনএন জানিয়েছে, ছুটির প্রভাব প্রথমেই পড়বে টেক্সাসের পানটেক্স ও টেনেসির ওয়াই-১২-এর মতো স্থানে। এসব স্থানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হয়।

সরকারি কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি জনসেবা কমানো ও ব্যাপক ছাটাইয়ের মতো গুরুতর হুমকি দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের পরিচালক কেভিন হাসেট সিএনবিসিকে জানান, তিনি আশা করছেন শাটডাউন ‘এই সপ্তাহের মধ্যে’ শেষ হবে। যদি এটি দীর্ঘায়িত হয়, তবে, ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি, যাতে তারা আলোচনায় আসতে বাধ্য হয়।

ফেডারেল কর্মচারীরা, সাধারণত প্রতি দুই সপ্তাহে বেতন পান। কিন্তু আগামী বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো সেই বেতনও তারা পাবেন না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেনাদের বেতনও একটি বড় সমস্যা হয়ে আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।

সিনেটে সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি বিল বিবেচনা করার কথা রয়েছে, যা সামরিক বাহিনীর সদস্য ও অন্যান্য ফেডারেল কর্মীদের বেতন পাওয়ার সুযোগ করে দেবে। যদিও এই উদ্যোগে ডেমোক্র্যাটদের থেকে পর্যাপ্ত সমর্থন পাওয়া যাবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button