Bangladesh

ক্যাশ লেস’ করতে এভিএস চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের

সরকারি লেনদেন ‘ক্যাশ লেস’ করার উদ্যোগ হিসেবে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক কর্মশালায় একথা জানান।

এদিন এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই ব্যবস্থা সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এবং একইসাথে জালিয়াতিরোধ ও অর্থ অপচয়রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা মত দিয়েছেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, গত ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে চারটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিসে (সিএএফও) পরীক্ষামূলকভাবে এই এভিএস সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে- স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আগামী জুন মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি হিসাব রক্ষণ অফিসে এভিএস সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হবে মর্মে কর্মশালায় জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেমগুলোর সাথে আইবাস সিস্টেমের ইন্ট্রিগেশন স্থাপন, গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম পাইলটিং পরবর্তী সকল পর্যায়ে বাস্তবায়ন রূপরেখা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা শনিবার সকালে মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আইবাস স্কিম, স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল প্রোগ্রাম টু এনাবেল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস), অর্থবিভাগ এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো: হাবিবুর রহমান।

বাজেট-১ ও জাতীয় কর্মসূচি পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বিলকিস জাহান রিমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো: জাকির হোসেন চৌধুরী ও বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির নির্বাহী পরিচালক মো: হানিফ মিয়া।

বিলকিস জাহান তার বক্তব্যে বলেন, এভিএস সিস্টেম বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি সকল পেমেন্ট ক্যাশলেস করা এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জালিয়াতি ও অর্থের অপচয় রোধ করে গ্রাহকদের ভোগান্তি লাঘব করা ও সঠিক প্রাপকের ব্যাংক হিসেবে অর্থ প্রেরণ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, এই সিস্টেম সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাই করা এবং চেক ছাপানোর জন্য সরকারের ব্যয়িত ৫০০-৬০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে ভূমিকা রাখবে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button