USA

ইরানের ওপর আক্রমণ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরোধী নীতির ব্যর্থতা : মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক

তারা জানে- বোমাবর্ষণের ফলে সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায় এবং মুনাফালোভীরাই কেবল লাভবান হয়।

মার্কিন হামলার বিষয়ে পরিচালিত জরিপের ফলাফল উদ্ধৃত করে মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘দ্য রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফ্ট’ জানিয়েছে, ট্রাম্প ইরানে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ বিষয়ক প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি লঙ্ঘন করেছেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) ইরনা জানিয়েছে, মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক মনে করে- ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের পর এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, আমেরিকার মানুষ যুদ্ধের বিরোধী। তারা নানাভাবে সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

ইরনার প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বর্তমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বেশ কয়েকটি জাতীয় জরিপ থেকে এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানের ওপর ট্রাম্পের আক্রমণকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ ভালো ভাবে নেয়নি।

এতে বলা হয়, ইরানের ওপর ট্রাম্পের আক্রমণের আগে এবং তার পরপরই পরিচালিত জরিপগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে- সাধারণ মার্কিনিদের বাইরে ট্রাম্পের সমর্থকরাও ইসরাইলের হয়ে ইরানবিরোধী যুদ্ধে জড়ানোর বিরোধিতা করেছেন।

বোমা হামলার পর ‘YouGov’ জরিপ সংস্থার পরিচালিত জরিপে দেখা যাচ্ছে, দেশব্যাপী জরিপে অংশগ্রহণকারী ৮৫ শতাংশ মার্কিনি ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়াতে চান না। মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ যুদ্ধে জড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। একই জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের হামলার বিরোধিতাকারী লোকের সংখ্যা সমর্থনকারীদের তুলনায় অনেক বেশি।

রয়টার্স-ইপসোসের একটি জরিপেও উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। ৪৫ শতাংশ মানুষ বোমা হামলার বিরোধিতা করেছেন এবং ৩৬ শতাংশ সমর্থন করেছেন।

থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফ্ট’ তাদের রিপোর্টে লিখেছে, ট্রাম্প এটিকে ১২ দিনের যুদ্ধ বলতে চাইলেও এটা স্পষ্ট যে, এর প্রভাব কেবল ১২ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ১২ দিনের যুদ্ধের পর আবারো এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, মার্কিনীরা যুদ্ধ চায় না। তারা জানে- বোমাবর্ষণের ফলে সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায় এবং মুনাফালোভীরাই কেবল লাভবান হয়।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button